পিএসসি পূর্ব অনুমোদন ছাড়াই অর্থ ব্যয় করতে পারবে

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:০০ এএম

সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) কাজে গতি আনতে এবং সংস্থাটির আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ‘সরকারি কর্মকমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৬’ অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ। একই সঙ্গে কাতার ও বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে কর্মকর্তা ও সামরিক সদস্য প্রেষণসংক্রান্ত চুক্তির অনুমোদনের প্রস্তাব এবং কর্ণফুলী নদীর তীরে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (ফ্রি ট্রেড জোন) স্থাপনের নীতিগত অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে।

গতকাল সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের কাছে বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো নীতিমালা, ২০২৬ সম্পর্কে শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক (বিএনকিউএফ) একটি গতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কাঠামো। এর মাধ্যমে সাধারণ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাসহ সব ধারার শিক্ষার মধ্যে যোগ্যতার সুস্পষ্ট সংজ্ঞা ও সমন্বয় নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, নীতিমালার লক্ষ্য হলো পূর্ব অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি দেওয়া, এক শিক্ষা ধারা থেকে অন্য ধারায় স্থানান্তর সহজ করা এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শিক্ষার্থী ও কর্মীদের যোগ্যতার স্বীকৃতি নিশ্চিত করা। এতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে এবং শ্রমবাজারে কর্মীদের উল্লম্ব ও অনুভূমিক গতিশীলতা সহজ হবে।

শফিকুল জানান, বিষয়টি মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও কর্মজীবনের গতিধারা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা হিসেবে প্রণীত হয়েছে।

সরকারি কর্ম কমিশন সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৬ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘নতুন সংশোধনীর মাধ্যমে কমিশনের বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ে সরকারের পূর্ব অনুমোদন আর বাধ্যতামূলক থাকবে না। নীতিমালা, ২০২৬ প্রসঙ্গে  তিনি বলেন, ‘এটি ১৯৯৮ সালের নীতির পরিবর্তে প্রণীত। নতুন নীতি জনগণের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, প্রাণীজ প্রোটিনের চাহিদাপূরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন, রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং টেকসই মৎস্য উৎপাদনের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সুনীল অর্থনীতির বিকাশকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত