ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনই জামানত হারিয়েছেন। বেসরকারি ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমাবদ্ধ ছিল দুই প্রার্থীর মধ্যে। বাকি প্রার্থীরা ন্যূনতম ভোটের সীমা অতিক্রম করতে ব্যর্থ হন।
দাউদকান্দি নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, কুমিল্লা-১ আসনটি দাউদকান্দি ও মেঘনা উপজেলা মিলিয়ে মোট ১৪৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দাউদকান্দি উপজেলার ১০৭টি কেন্দ্রে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৪৪০টি। মেঘনা উপজেলার ৩৮টি কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৫৯ হাজার ৮৩৪টি। দুই উপজেলা মিলিয়ে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৩৯ হাজার ২৭০টি।
দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফয়েজুল ইসলাম জানান, নির্বাচনী বিধি মোতাবেক প্রদত্ত ভোটের কমপক্ষে ১২.৫ শতাংশ ভোট না পেলে প্রার্থীর নিরাপত্তা জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সে হিসেবে এ আসনে ন্যূনতম ২৯ হাজার ৯০৮ ভোট না পেলে জামানত রক্ষা করা সম্ভব নয়।
দুই উপজেলার ফলাফলে বিএনপি প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৩০১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মনিরুজ্জামান বাহলুল পেয়েছেন ৯০ হাজার ৪৯৯ ভোট।
জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন স্বতন্ত্র আবু জায়েদ আল মাহমুদ (২০১ ভোট), স্বতন্ত্র ওমর ফারুক (২০৩ ভোট), ইসলামী আন্দোলনের বশির আহমেদ (৬ হাজার ৩৮৯ ভোট), বাংলাদেশ জাসদের বড়ুয়া মনোজিত ধীমন (১৪৪ ভোট), বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মোহাম্মদ আবুল কালাম (৪০৩ ভোট), এবি পার্টির শফিউল বাসার (৫১১ ভোট), জাতীয় পার্টির সৈয়দ ইফতেখার হাসান (৬১৯ ভোট)।
