ইংল্যান্ড ও ইতালি ফুটবলে দুই পরাশক্তি। ১৯৩৩ সাল থেকে ৩২ ম্যাচ খেলেছে তারা। জয়ের পাল্লা ভারী ইতালির। ১৩ ম্যাচ জিতেছে তারা, ইংল্যান্ড ১১টি। তবে বিশ্বকাপে দুবার মুখোমুখিতে কখনো জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। ১৯৯০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপে দুবারই জিতেছে ইতালি।
সেই ইতালি প্রথমবার ক্রিকেট বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা করেছে এবার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের একই গ্রুপে পড়ায় ইংল্যান্ডের সঙ্গে খেলা ছিল তাদের। প্রথম দেখাতেই ইংল্যান্ড ইতালিকে হারিয়ে দিয়েছে। যদিও কাগজে কলমে অনেক এগিয়ে থাকা ইংল্যান্ডের সঙ্গে ভালোই লড়েছে ইতালি। ইংল্যান্ডের ২০২ রানের জবাবে ১৭৮ রান করেছে ইতালি। ২৪ রানের জয়ে সুপার এইট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করে ইংলিশরা।
কলকাতার ইডেন গার্ডেনে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়া ইংল্যান্ড বড় ধাক্কা দেয় ইতালির অস্ট্রেলিয় ফাস্ট বোলার গ্রান্ট স্টুয়ার্ট। জস বাটলারকে মাত্র ৩ রানে ফিরিয়ে দেন তিনি। ফিল সল্ট ১৫ বলে ২৮ রান তুলে আউট হন। মাঝের ওভারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন জ্যাকব বেথেল (২০ বলে ২৩), টম ব্যান্টন (২১ বলে ৩০) আর স্যাম কারান (২৫ রান, দুটি ছক্কা)। সাত নম্বরে নেমে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন উইল জ্যাকস। মাত্র ২২ বলে অপরাজিত ৫৩ রানের ঝড়ো ইনিংসে ইংল্যান্ড ২০০ পেরোয়। ইতালির হয়ে বল হাতে দুটি করে উইকেট নেন গ্রান্ট স্টুয়ার্ট ও ক্রিশান কালুগামাগে। একটি করে উইকেট পান জেজে স্মাটস, আলি হাসান ও বেন মানেন্তি।
২০৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই বড় ধাক্কা খায় ইতালি। জোফ্রা আর্চার প্রথম ওভারে ফিরিয়ে দেন অ্যান্থনি মোস্কা ও জেজে স্মাটসকে (শূন্য রানে)। ইতালির অধিনায়ক হ্যারি মানেন্তি করেন ১১ বলে ১২ রান। তাঁকে আউট করেন জেমি ওভারটন। এরপর লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করেন বেন মানেন্তি (২৫ বলে ৬০ রান, চারটি চার ও ছয়টি ছক্কা) এবং জাস্টিন মোস্কা (৩২ বলে ৪৩ রান)। চতুর্থ উইকেটে তাঁদের জুটিতে আসে ৯২ রান। শেষ দিকে গ্রান্ট স্টুয়ার্ট ২৩ বলে দ্রুত ৪৫ রান করে ম্যাচে উত্তেজনা ফেরালেও শেষ ওভারে দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রণ দেখিয়ে ইতালিকে আটকে দেয় ইংলিশ বোলাররা। ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন উইল জ্যাকস।
গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে ইতালি একই ভেন্যুতে বৃহস্পতিবার মুখোমুখি হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের।
প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব ছাড়তে চান গাজী আশরাফ লিপু