গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পুলিশের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ভুক্তভোগী মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের দপ্তরে এই অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বগুড়া সদর উপজেলার বাদুড়তলার শফিকুল ইসলামের মেয়ে সুফিয়া ইসলাম সুপ্তার (৩১) সঙ্গে প্রায় ১৩ বছর পূর্বে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার অভিরামপুর গ্রামের আব্দুল কদ্দুসের পুত্র শামিমের (৪০) বিয়ে হয়। কিন্তু সুপ্তা নিঃসন্তান হওয়ায় তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো শামিম ও তার পরিবারের সদস্যরা। গত ২ ফেব্রুয়ারি সামান্য বিষয় নিয়ে শামিম তার পিতা আব্দুল কদ্দুস (৭০) ও তার বোন সান্ত্বনা বেগম (৪৫) তিনজন মিলে শুপ্তাকে মারধরের একপর্যায়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহত সুপ্তার বাবা শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
শফিকুল ইসলামের অভিযোগ, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আখতারুজ্জামা অদৃশ্য কারণে তার মেয়েকে হত্যার আলামত গোপন করে আসামীদের বাঁচাতে মনগড়া ভাবে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। এতে ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
তবে এসআই আখতারুজ্জামান তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি জানান, মরদেহের বর্ণনা অনুয়ায়ী সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। তাছাড়া সুরতহালে তথ্য গোপন করার কোন সুযোগ নেই। কারণ, হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত (পিএম) রিপোর্ট আসলে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ হবে।
বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করে নিশাঙ্কার স্বপ্নপূরণ; রেকর্ড বই ওলটপালট