নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে প্রতিবন্ধী এক অটোরিকশাচালককে হত্যা করে ধানক্ষেতে লাশ ফেলে রাখে দুর্বৃত্তরা। গতকাল রবিবার দুপুরে উপজেলা কুতুবপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সীবাড়ির পেছনের একটি ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আবদুল আহাদ (২৪) একই ইউনিয়নের নুরুল আলমে ছেলে। আহাদ শারীরিক প্রতিবন্ধী ছিলেন বলে জানা গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুরে মুন্সীবাড়ির পেছনের ধানক্ষেতে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী। পরে স্থানীয়রা কাছে গিয়ে লাশটি নিখোঁজ অটোরিকশাচালক আহাদের বলে শনাক্ত করে। এ সময় তার মুখে-গলায় টেপ প্যাঁচানো ছিল। এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ
থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই আমি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। হত্যার কারণ ও নেপথ্যে কারা রয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।’
এদিকে ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে সুলতান মিয়া (৪৬) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার খাগডর ইউনিয়নের তারাগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত সুলতান মিয়া তারাগাঁও গ্রামের মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিক্রি করা একটি জমির মালিকানা নিয়ে সুলতান মিয়ার সঙ্গে একই গোষ্ঠীর চাচাতো ভাই মিরাজ আলীর বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, মিরাজ আলী ওই জমির মালিকানা দাবি করে বিক্রিতে বাধা দেন। এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় জমি নিয়ে আবারও কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মিরাজ আলী ও তার ছেলেরা সুলতান মিয়াকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন বলে অভিযোগ। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি নাজমুস সাকিব বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’
