নিত্যপণ্যের বাজার

লেবু-শসার দাম কমলেও চড়া বেগুন

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৩৫ এএম

লেবু-শসার দাম কমলে তা এখনো সাধারণ মানুষের নাগালে আসেনি। যদিও ধারাবাহিকভাবেই কমছে পণ্য দুটির দাম। তবে এখনো কমেনি বেগুনের দাম। উল্টো খানিকটা দাম বেড়েছে এই পণ্যটির।

ঢাকার খুচরা বাজারগুলোয় দেখা গেছে, প্রতি কেজি হাইব্রিড শসার দাম কমে ৫৫ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কোথাও এখনো অবশ্য ৭০ টাকাও দাম চাইতে দেখা গেছে, যা রোজার শুরুতে ছিল ১০০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে। তবে দেশি শসা এবং ক্ষীরার দাম এখনো চড়া এবং তা ১০০ টাকার বেশি দাম দিয়েই কিনতে হচ্ছে।

এদিকে বেড়েছে বেগুনের দাম। পণ্যটি ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে শুরুতে বিক্রি হলেও এখন ১০০ খেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে ইফতারে অনেকে বেগুনি খেতে পছন্দ করেন। যে কারণে প্রতিবছর রমজানের সময় বেগুনের দাম বাড়ে। সেই ‘ঐতিহ্য’ এবারও বজায় ছিল। এই বাড়তি চাহিদার কারণে পণ্যটির দাম প্রতিবছরই বাড়ে। এ ছাড়া বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে এখন মাঝারি আকারের এক হালি লেবুর ৪০ থেকে ৬০ টাকা দিয়ে কেনা যাচ্ছে। আকারে একটু বড় হলে এক হালির দাম পড়বে ৮০ টাকা, যা রোজার আগের দিন থেকে প্রথম দুদিন যথাক্রমে ৭০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে বিক্রি হয়েছে।

এবারের রমজানে মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে ছিল লেবু। তবে লেবুর দাম বেড়েছিল দুই ধাপে। প্রথম দফায় দাম বাড়ে শবেবরাতের আগের দিন। দ্বিতীয় দফায় বাড়তে শুরু করে রোজার এক দিন আগে। সে সময় অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছিল, এক ডজন ডিমের যে দাম, তা দিয়ে এক হালি লেবু কিনতে হচ্ছে। তবে এখন বিক্রেতারা বলছেন, দিন যত যাচ্ছে, লেবুর দাম তত কমছে।

বাড্ডার সবজি বিক্রেতা আরিফুল বলেন, রোজার শরবতের জন্যই লেবু কেনেন সবাই। এই বাড়তি চাহিদার কারণে দাম বেড়ে যায়। এখন অবশ্য লেবুর চাহিদাও কমছে, দামও কমছে। তিনি বলেন, ‘এবারে দাম বেশি হওয়ার কারণে লেবুর বিক্রিও কমে গেছে।’

এদিকে গত দুদিনে কাঁচা মরিচের দাম আরও কিছুটা কমেছে। মান ও জাতভেদে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ এখন বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায়, যা রোজার শুরুতে ২০০ টাকায় উঠে যায়।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত