বরিশালের বাবুগঞ্জে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক চালক নিহত ও অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার নতুনহাট এলাকায় বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতুর ঢালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, বরগুনার পাথরঘাটা থেকে ঢাকাগামী ইসলাম পরিবহনের একটি বাস সেতু পার হয়ে নতুনহাট এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা বরিশালগামী লাবিবা পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সরাসরি মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ইসলাম পরিবহনের চালক কবির হোসেন (৪০) গুরুতর আহত হন। তাকে দ্রুত শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে স্ক্র্যাপবোঝাই একটি লরির চাপায় নুরুল আলম (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নিজামপুর কলেজসংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নুরুল আলম উপজেলার হাইতকান্দি ইউনিয়নের পূর্ব হাইতকান্দি গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত আলী আহমদ মিস্ত্রির ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে তিনি মহাসড়কের এক পাশ থেকে অন্য পাশে পার হওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় ঢাকামুখী লেনে দ্রুতগতিতে আসা বিএসআরএমের স্ক্র্যাপবাহী একটি লরি তাকে চাপা দেয়। গুরুতর আঘাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পুলিশ সদস্যদের বহন করা একটি পিকআপ খাদে পড়ে ৮ জন আহত হয়েছেন। অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আব্দুর রহিম জোনায়েদ সাকিকে প্রটোকল দেওয়ার জন্য জেলা পুলিশ লাইনস থেকে পিকআপটি যাচ্ছিল। বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের ভেলানগর গ্রামে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এ সময় গাড়িতে থাকা জুয়েল মিয়া ও শরিফ নামে দুই পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ছাড়া মহিউদ্দিন, মেহেদী হাসান, এএসআই নিজাম, জহির রায়হান, আব্দুল সালাম ও মাইনুল হাসান নামে ছয়জন আহত হন। তাদের বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় নায়েক জুয়েল মিয়া ও শরিফকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রাজারবাগে পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।