নাটোরের বড়াইগ্রামে গয়না নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে স্বামী-স্ত্রী, মেয়ে ও মেয়ে জামাইকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার বিকেলে উপজেলার গোয়ালিফা কদমতলা এলাকায় সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মহররম আলীর ছেলে ইউনুস আলীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গোয়ালিফা কদমতলা এলাকার বাসিন্দা বাদশার স্ত্রী সাহারা খাতুন ১৪ দিন আগে প্রতিবেশী মতিন সরকার ও জুয়েল আহমেদের স্ত্রী এবং টুটুলের মায়ের কাছ থেকে বিয়ে খেতে যাওয়ার কথা বলে দেড় ভরি ওজনের স্বর্ণের গয়না ধার নেন। বিয়ে বাড়ি থেকে এসে পরের দিনই গয়নাগুলো ফেরত দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ১৪ দিন পার হয়ে গেলেও তিনি গয়নাগুলো ফেরত দেননি। বিষয়টি মীমাংসার জন্য বাদশা মিয়াকে ডেকে এনে ইউনুস আলী বিদ্যুতের বাড়িতে সালিশ বসে।
খবর পেয়ে বাদশার স্ত্রী সাহারা খাতুন, মেয়ে হাজেরা খাতুন ও মেয়ে জামাই নটাবাড়িয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমও সেখানে আসেন। সেখানে উত্তেজনার একপর্যায়ে তাদের চারজনকে মারপিট করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে। এরপর তারা দুজনের গয়না ফেরত দিয়ে অন্য দুজনের গয়না ফেরত দিতে রবিবার পর্যন্ত সময় চেয়ে নেয় বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে গতকাল নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম বলেন, যাদের বেঁধে রাখা হয়েছিল, পুলিশ যাওয়ার পরেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।