চন্দনাইশে ফসলি জমির মাটি কাটার ধুম, নিরব প্রশাসন!

আপডেট : ০১ মার্চ ২০২৬, ০৪:২২ পিএম

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা জুড়ে চলছে ফসলি জমির মাটি কাটার ধুম। কোথাও দিনে আবার কোথাও রাতে। ইটভাটা মালিকদের সঙ্গে যোগসাজশ করে মাটি কাটার এই মহোৎসবে মেতেছেন প্রভাবশালী কতিপয় ব্যক্তিরা। এসব মাটি কাটার ফলে আবাদি জমির পরিমাণ দিন দিন কমে যাচ্ছে। মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে আশেপাশের ফসলি জমিগুলো। এছাড়াও মাটি বহন করা ট্রাকের চাকায় নষ্ট হচ্ছে গ্রামীণ সড়ক। বর্ষা মৌসুমে চলাচলে দুর্ভোগের আশঙ্কা এলাকাবাসীর। প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো ফল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

যেসব এলাকায় দিনের বেলা মাটি কাটতে স্থানীয়রা প্রতিবাদ করেন, সেসব এলাকায় রাতের আঁধারে মাটি কাটা হয়। তবে এখন বেশির ভাগ এলাকায় রাতেই মাটি কাটা হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।  

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাতে যখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ে সে সময় ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি কাটেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। উপজেলার কাঞ্চনাবাদ, দোহাজারী, হাশিমপুর, সাতবাড়িয়া, জোয়ারা, বরকল, বৈলতলী, বরমাসহ উপজেলার ৪০ থেকে ৫০ জায়গায় আবাদি জমি পুকুর বানানো হচ্ছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় উপজেলার কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়নের এলাকায় দিন দুপুরে এস্কেভেটার দিয়ে মাটি কেটে ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অবৈধ ইটভাটায়। মাটি কাটার ফলে ফসলি জমি পুকুর সমান গভীর হয়ে যাচ্ছে।

এই বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঝন্টু বিকাশ চাকমা এর সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, 'আমাদের যতটুকু সম্ভব হচ্ছে ততটুকু ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। অভিযান অব্যাহত রয়েছে। স্থায়ীভাবে কৃষি জমির টপসয়েল এবং পাহাড় কাটা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত