বোয়ালখালীতে এন. মোহাম্মদ প্লাস্টিক কারখানায় বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে বিক্ষোভরত শ্রমিকরা উপস্থিত সাংবাদিক ও পুলিশের ওপর চড়াও হয়ে মারধর করেছে। এরপর তাদের অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
শ্রমিকদের হামলায় আহত হয়েছেন দৈনিক সংবাদ পত্রিকার দেবাশীষ বড়ুয়া রাজু (৫৫) ও দৈনিক পূর্বকোণ পত্রিকার পূজন সেন (৩৯)। এ সময় সাংবাদিকদের মোবাইল ভাঙচুর করা হয়।
খবর পেয়ে বোয়ালখালী থানা পুলিশ, শিল্প পুলিশ ও বোয়ালখালী প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও কারখানার ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি। দীর্ঘ চেষ্টার পর অবরুদ্ধ হয়ে পড়া সাংবাদিকদের ও ভেতরে থাকা শিল্প পুলিশের এএসআই মিজানকে উদ্ধার করা হয়। আহত ২ সাংবাদিক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে মালিকপক্ষ বা শ্রমিকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, অবরুদ্ধ হয়ে পড়া আহত দুই সাংবাদিকদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কারখানার বাইরে অবস্থান করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শ্রমিকরা জানান, বোয়ালখালীর এন. মোহাম্মদ ফ্যাক্টরি মুলতঃ মামা-ভাগিনার (মোস্তাক-সুমন) হাতে জিম্মি। বোয়ালখালীর লোকজনকে ছাঁটাই করে রংপুরের লোকজন এনে বোয়ালখালীর মানুষের পেটে লাথি মারার কৌশল করতে গিয়ে মামা-ভাগিনার প্রতি সবাই ক্ষেপেছে।
তিনি আরও জানান, এ কারখানাটি শ্রমিক আইনের তোয়াক্কা করেনা। প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা চাকরি করতে হয়। সাপ্তাহিক কোনো ছুটি নেই। এমনকি ১লা মে শ্রমিক দিবসে সারাবিশ্বে যেখানে কল-কারখানা বন্ধ থাকে, সেখানে এন. মোহাম্মদ ফ্যাক্টরি খোলা থাকে। এরপরও শ্রমিকরা কোন প্রতিবাদ করে না।
ভিজিএফের চাল বিতরণে চালবাজি