নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজেই বাংলাদেশ দলে ফের দেখা যেতে পারে সাকিব আল হাসানকে, এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ক্রিকেট অপারেশন কমিটির প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিম। একই সঙ্গে জানিয়েছেন পাকিস্তান সুপার লিগের জন্য অনাপত্তিপত্র পাবেন নির্বাচিত ক্রিকেটাররা, তবে দেশের স্বার্থ সবার উপরে।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ এর নিলামে নাম তালিকাভুক্ত করার সময়ই সংশ্লিষ্ট বোর্ডের অনাপত্তিপত্রের প্রয়োজন হয়। মোস্তাফিজুর রহমান আইপিএল নিলামে নাম লেখানোর সময়েই তাই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের তরফ থেকে জানিয়ে দেয়া হয়েছিল, এপ্রিলে ৮ দিনের জন্য তাকে ছাড়তে হবে। দেশে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলার জন্য, যে শর্ত মেনেই তাকে দলে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। শেষপর্যন্ত মোস্তাফিজের আইপিএল খেলা হচ্ছে না নানান ঘটনাপ্রবাহে, একই সময়ে হতে যাওয়া পাকিস্তান সুপার লিগে খেলবেন এই বামহাতি পেসার। পিএসএলে খেলবেন রিশাদ হোসেন, পারভেজ হোসেন ইমন এবং নাহিদ রানাও। পিএসএলের মাঝেই দেশে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সাদা বলে ৬টি ম্যাচ বাংলাদেশের, ৩টি ওয়ানডে এবং ৩টি টি-টোয়েন্টি। তাদের অনাপত্তিপত্র দেবার ব্যপারে বিসিবি’র ক্রিকেট পরিচালনা কমিটির সভাপতি নাজমুল আবেদীন ফাহিম জানিয়েছেন, পিএসএলে সুযোগ মিলবে তবে দেশ আগে।
সোমবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ফাহিম জানান, ‘আমাদের চেষ্টা থাকবে আমাদের নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করে যতটুকু ছাড় দেওয়া যায়। কারণ পিএসএল একটা ভালো কম্পিটিশন, ওখানে আমাদের ছেলেরা গেলে তাদের একটা ভালো অভিজ্ঞতা হবে। সেদিক থেকে তারা আরও হয়তো একটু পরিণত হতে পারবে।’ সাকিব আল হাসানকে দলে ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে ফাহিম জানান, ‘এখন যে সাকিবকে নিয়ে আইনগত যেসব কাজ পরিচালিত হচ্ছে বেশ দ্রুততার সাথে হচ্ছে। আমি যতটুকু জানি, সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমার মনে হচ্ছে যে হয়তো আমরা সামনে কিছুদিনের মধ্যে দেখতে পারি সাকিব দেশে ফিরে এসেছে। তারপর দলে খেলা বা কোন ফরম্যাটে খেলবে সেই বিষয়গুলো আসবে। সেখানে সিলেক্টরদের ব্যাপার থাকবে, টিম ম্যানেজমেন্টের ব্যাপার থাকবে। বটম লাইন হচ্ছে যে 'টিম ফার্স্ট', দলের স্বার্থটা সবচাইতে প্রথমে আমরা দেখব’। সেই ‘কিছুদিন’ এর অপেক্ষাটা শেষ হতে পারে নিউজিল্যান্ড সিরিজেই, ‘আমি আশা করছি যে বাই দ্যাট টাইম (এই সময়ের মধ্যে) হয়তো ও চলে আসতে পারবে। আসলে হয়তো আমি ইতিবাচকভাবেই দেখব। ও দলে থাকলে দলে ভ্যালু অ্যাড হবে।'
'আসল সার্জারি তো পাকিস্তানের নির্বাচকদের করা দরকার'