ঈদযাত্রায় শঙ্কা যাত্রীবাহী ট্রাক!

আপডেট : ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৮:১১ এএম

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এ ছুটি চলবে ২৩ মার্চ পর্যন্ত। সাত দিনের ছুটিতে ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে মানুষ। বাস, ট্রেন, লঞ্চে এবং ব্যক্তিগত বাহনে বাড়ির পথে রওনা দিয়েছেন ঢাকায় থাকা চাকরিজীবী ও পেশাজীবীদের অনেকেই। ঢাকা থেকে বিভিন্ন অঞ্চলগামী রুটে গতকাল সকাল থেকেই ছিল যানবাহনের বাড়তি চাপ। তবে কোনো সড়কেই ছিল না দীর্ঘ যানজট; ফলে তেমন ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে না ঘরমুখো মানুষজনকে। ভোগান্তির তথ্য পাওয়া যায়নি কোনো সড়ক কিংবা সেতুর টোল প্লাজায়ও। লঞ্চ ও ফেরিঘাটগুলোতে যাত্রী চাপ বাড়লেও দীর্ঘ সময় আটকে থাকার মতো ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি গতকাল। পুলিশ এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগ বলছে, এবারে ঈদযাত্রা স্বস্তির করতে ও যানজট মোকাবিলায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অবশ্য বাড়তি ভাড়ার কারণে কোনো কোনো জায়গায় নিস্ন আয়ের মানুষজনকে ট্রাক-পিকআপে ঝুঁকি নিয়ে যাত্রা করতে দেখা গেছে। এ ছাড়া বিপুলসংখ্যক মানুষ বাড়িমুখো হয়েছেন মোটরসাইকেলে চেপে। নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে বিস্তারিত

সারা দিন স্বাভাবিক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক : এবারের ঈদযাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার ১০৪ কিলোমিটার অংশে এখনো পর্যন্ত যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। গতকাল সড়কে যানজট না থাকলেও পরিবহনের চাপ বেড়েছে। অথচ বিগত সময়ে ঈদযাত্রায় ব্যস্ততম এ মহাসড়কে তীব্র যানজটে পড়ে ঘরমুখো মানুষদের দুর্ভোগে পড়তে দেখা গেছে।

হাইওয়ে পুলিশ সূত্র জানায়, এবার ঈদে যাত্রীদের বিড়ম্বনা ও ডাকাতের উৎপাত কমাতে মহাসড়কের কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত কম এবং অধিক গুরুত্বপূর্ণ ২৭টি স্থান চিহ্নিত করা হয়। গুরুত্ব দিয়ে ২৪ ঘণ্টা চিহ্নিত স্থানগুলোতে নজর রাখছে পুলিশ।

দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশের ওসি ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, এবারের ঈদযাত্রা হাইওয়ে পুলিশ চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে। ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা আনন্দদায়ক করতে আমরা ২৪ ঘণ্টা মহাসড়কে অবস্থান করছি। এখনো পর্যন্ত যানচলাচল স্বাভাবিক। তবে মহাসড়কে পরিবহনের চাপ বেড়েছে।

কুমিল্লায় এক চালক বলেন, ২ ঘণ্টা ১৫ মিনিটে ঢাকা থেকে কুমিল্লায় পৌঁছাতে পেরেছি। পুলিশ সক্রিয় থাকলে আশা করি মহাসড়কে যানজট থাকবে না।

কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার শাহীনুর আলম বলেন, মহাসড়কের ঈদযাত্রায় যাত্রীদের বিড়ম্বনা কমাতে আগের থেকেই পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে একাধিক মিটিং করা হয়েছে। যানজটপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে আগাম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আশা করছি আসন্ন ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি থাকবে না। নির্বিঘেœ মানুষ বাড়ি ফিরতে পারবে।

চাপ থাকলেও জট নেই পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায়: নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়তে শুরু করেছে পদ্মা সেতুতে। তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের যানজট ছাড়াই স্বস্তিতে চলছে ঈদযাত্রা। গতকাল সকালে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্লাজা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, দক্ষিণবঙ্গমুখী যানবাহনের চাপ কিছুটা বেড়েছে। টোল প্লাজার সামনে সামান্য লাইনের সৃষ্টি হলেও গাড়িগুলো দ্রুত টোল পরিশোধ করে এগিয়ে যাচ্ছে। ফলে টোল প্লাজায় দীর্ঘক্ষণ যানবাহনের জট তৈরি হচ্ছে না। কিছু সময়ের জন্য টোল বুথগুলো ফাঁকাও দেখা যাচ্ছে।

যানবাহনের চাপ কমাতে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্ত ও জাজিরা প্রান্ত মিলে ১৭টি টোল বুথ এবং অতিরিক্ত আরও ৪টি টোল বুথের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মাওয়া ট্রাফিক জোনের টিআই জিয়াউল হক দেশ রূপান্তরকে জানান, পদ্মা সেতু দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। গাড়ির সংখ্যা কিছুটা বাড়লেও তা সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। দীর্ঘ ছুটির কারণে মানুষ ধাপে ধাপে বাড়ি ফিরছে। ফলে একসঙ্গে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে না, তাই বড় ধরনের যানজটের আশঙ্কা নেই। নির্বিঘেœ পারাপার হতে পারছে।

পদ্মা সেতুর সহকারী প্রকৌশলী (টোল) নাবিল হোসেন জানান, পদ্মা সেতুতে যান চলাচলের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি চলমান রয়েছে। অতিরিক্ত টোল বুথ স্থাপন করা হয়েছে। রাখা হয়েছে নিরাপদ পানি, চিকিৎসার ব্যবস্থা ও টয়লেট।

গত সোমবার সন্ধ্যায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম পদ্মা সেতু টোল প্লাজা পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, ঈদযাত্রা নির্বিঘœ রাখতে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে যানজটপ্রবণ ২৬০টি স্থান চিহ্নিত করে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো। মন্ত্রী বলেন, ঘরমুখো মানুষ যাতে নিরাপদ ও স্বস্তিতে যাতায়াত করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ে সেই প্রস্তুতি বাস্তবায়ন তদারকিতেই তার এ পরিদর্শন।

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে স্বস্তির যাত্রা, বেশি চাপ নেই ঘাটেও : সাভার প্রতিনিধি জানান, ঈদ কেন্দ্র করে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যানবাহন চলাচাল বেড়েছে। তবে কোথায়ও নেই জট। স্বস্তিতেই ফিরছে ঘরমুখো মানুষ। গতকাল দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক, নবীনগর-চন্দ্রা সড়ক ও আবদুল্লাহপুর-আশুলিয়া-ডিইপিজেড সড়কের এমন চিত্র দেখা গেছে। নবীনগর বাসস্ট্যান্ডে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন আজমল হোসেন। তিনি বলেন, সড়কে গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে। জটও তেমন নেই। তবে ভাড়া চাচ্ছে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। ওয়েলকাম বাসের চালক আমিনুল বলেন, ঈদের যাত্রীর চাপ এখনো বাড়েনি। যাত্রীদের তুলনায় গাড়ি বেশি। আশা করছি বুধবার যাত্রীদের চাপ বাড়তে পারে।

সাভার হাইওয়ে থানার ইনচার্জ শেখ শাজাহান বলেন, গাড়ির চাপ বেড়েছে। তবে কোথাও যানজট সৃষ্টি হয়নি। সড়ক স্বাভাবিক আছে। পুলিশ যাত্রীদের নিরাপত্তায় কাজ করে যাচ্ছে।

মানিকগঞ্চের শিবালয় সংবাদদাতা জানান, পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়লেও এবার ভোগান্তি ছাড়াই তুলনামূলক স্বস্তিতে পারাপার হচ্ছেন ঘরমুখো মানুষ। গতকাল সকালে পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় যাত্রী ও যানবাহনের চাপ কিছুটা বাড়লেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। দুপুর ১২টার পর যানজট অনেকটাই কমে আসে। ঘাটে আসা যানবাহনগুলোকে অপেক্ষা ছাড়াই দ্রুত ফেরিতে উঠতে পারছে।

অন্যদিকে আরিচা ঘাটেও সকাল থেকেই যাত্রীর চাপ লক্ষ করা গেছে। ফেরি, লঞ্চ, স্পিডবোট ও ইঞ্জিনচালিত নৌকায় যাত্রী পারাপার অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে স্পিডবোট ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, ঈদে যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৭টি ফেরি এবং আরিচা-কাজিরহাট রুটে ৫টি ফেরি চালু রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ৩৩টি লঞ্চ ও ৬৭টি স্পিডবোট চলাচল করছে। জরুরি পণ্য, শিশুখাদ্য ও পচনশীল দ্রব্যবাহী যানবাহন ছাড়া অন্যান্য পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখায় ঘাট এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়নি। প্রয়োজনে অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে পাটুরিয়া থেকে দৌলতদিয়া রুটে ফেরি স্থানান্তরের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের আরিচা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন পারাপার নিশ্চিত করতে বাস ও প্রাইভেট কারের জন্য আলাদা লেন চালু রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে ঘাট এলাকা এবং ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে দায়িত্ব পালন করছে।

উত্তরেও পথে নেই জট, খোলা ট্রাকে প্রচুর যাত্রী : গাজীপুর প্রতিনিধি জানান, ঈদ সামনে রেখে ছুটির প্রথম দিন থেকেই ঢাকা ও গাজীপুর ছেড়ে গ্রামের পথে মানুষের ঢল নেমেছে। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ধীরে ধীরে বাড়ছে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ। তবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বড় ধরনের যানজট দেখা যায়নি। অবশ্য বিকেলের দিকে গাজীপুরের দ্বিতীয় ধাপে পোশাক কারখানাগুলো ছুটি হলে মহাসড়কে যাত্রী সংখ্যা বেড়ে যায়। যে কারণে উত্তরবঙ্গ ও ময়মনসিংহমুখী মহাসড়কে চাপ বাড়ে, বিশেষ করে রাজধানীর আবদুল্লাহপুর, টঙ্গী, ভোগড়া, চন্দনা চৌরাস্তা, চন্দ্রা ও মাওনা এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে যানবাহনের ধীরগতি লক্ষ করা গেছে। যাত্রীদের অভিযোগ, ঈদ কেন্দ্র করে ভাড়া কয়েকগুণ বাড়ানো হয়েছে।

কালিয়াকৈর চন্দ্রা এলাকার ব্যবসায়ী সেলিম হোসেন বলেন, প্রতি বছর চন্দ্রা একটি দুর্ভোগের নাম। ঈদ এলেই চন্দ্রায় যানজটের দিকে সবার নজর থাকে। কিন্তু আগের তুলনায় যানজটের প্রবণতা অনেক কম। আগে একই স্থানে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত যাত্রীবাহী বাস দাঁড়িয়ে থাকত। এখন যানজট এত দীর্ঘ হয় না। তবে ঘণ্টা দুই-তিনেক অনেককে একই স্থানে যানজটের কারণে আটকে থাকতে হয়।

পরিবহন ব্যবসায়ী ছাইদুল হক বলেন, টাঙ্গাইলের দিকে কোথাও কোনো কারণে সড়কে যানবাহন বিকল, দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো কারণে মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়ে এর প্রভাব চন্দ্রা গিয়ে পড়ে।

গাজীপুর নাওজোর কোনাবাড়ী হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক শওগাতুল আলম বলেন, চন্দ্রার যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশ সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে। আশা করছি যাত্রীরা নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারবেন। ঈদযাত্রা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে মহাসড়কে অতিরিক্ত পুলিশ কাজ করছে। কোথাও যানজট তৈরি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দিন জানান, ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যানজট নিয়ন্ত্রণে আট শতাধিক পুলিশ সদস্য ট্রাফিক ডিউটিতে থাকবেন। বিশেষ করে কালীগঞ্জের বিশ্বরোড এলাকায় অতিরিক্ত নজরদারি রাখা হবে।

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি জানিয়েছেন, ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও মহাসড়কে নেই চিরচেনা যানজট। স্বাভাবিক গতিতেই চলছে যানবাহন। মহাসড়কে বাসের চেয়ে প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেলই বেশি দেখা গেছে। যাত্রীরা পরিবহন করছেন ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেট কারে। তবে প্রচণ্ড রোদে দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে কেউ কেউ খোলা ট্রাক-পিকআপে গন্তব্যে যাচ্ছেন।

আশেকপুর বাইপাস এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রী বুলবুল মোল্লা বলেন, ‘চন্দ্রা থেকে আশেকপুর বাইপাস এলাকায় আসলাম ১০০ টাকা ভাড়া দিয়ে। সিরাজগঞ্জে যাব কিন্তু ভাড়া বেশি যাচ্ছে। মহাসড়কে যানবাহনের চাপ আছে। যানবাহন স্বাভাবিক গতিতেই চলছে। তারপরও ভাড়া বেশি চাচ্ছে। সিরাজগঞ্জের বেলকুচি যেতে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা লাগে। এখন ভাড়া চাচ্ছে ৪০০ টাকা। অনেকেই দেখছি খোলা ট্রাক-পিকআপে করে আসছে।’

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ শরীফ বলেন, ‘মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও কোনো যানজট নেই। যানবাহন স্বাভাবিক গতিতেই চলাচল করছে। ঈদযাত্রা নির্বিঘœ করতে মহাসড়কে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। যানজট যাতে না হয়, সেজন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। চালক ও যাত্রীরা নিবিঘেœ গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত