পবিত্র ঈদুল ফিতরের টানা ছুটিতে চায়ের রাজ্য মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলে পর্যটকের ঢল নামে। ঈদের দিন সকাল থেকেই স্থানীয় পর্যটকদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকের পদচারণে মুখর হয়ে ওঠে চায়ের রাজ্য। ঈদের দিন থেকে গত সোমবার পর্যন্ত কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া উদ্যানে পাঁচ হাজারের বেশি পর্যটক টিকিট কেটে প্রবেশ করেন।
ঈদের দিন, ঈদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তিন কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক ও শ্রীমঙ্গলের বদ্ধভূমি একাত্তর পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধবী নিয়ে পর্যটকরা ভিড় করেছেন চা বাগানে। লাউয়াছড়া বনের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া পাহাড়ি পথ আর উঁচু-নিচু টিলার মধ্যে সময় কাটাতে পেরে উচ্ছ্বসিত দর্শনার্থীরা। বিশেষ করে শিশু ও তরুণ-তরুণীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
ঢাকা থেকে আসা পর্যটক মাজহারুল ইসলাম, সিলেটের শিপা আক্তার, খুলনার মোফাজ্জল হোসেন, রাজু মিয়া দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ঈদে সিলেটেই ঘুরতে আসা হয়। শ্রীমঙ্গলের চা বাগানে ঘুরেছি। লাউয়াছড়ায় আগেও আসা হয়েছে, এখানে বারবার আসতে মন চায়।’
এবারের ঈদের ছুটিতে স্থানীয় পর্যটনশিল্প-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরাও লাভবান হয়েছেন। শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলায় গড়ে ওঠা রিসোর্ট, কটেজ, হোটেল ও গেস্টহাউজে রাত্রিযাপন করেছেন সহস্রাধিক পর্যটক। ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন নামি-দামি চায়নিজ ও বাংলা খাবারের রেস্টুরেন্টগুলোতেও ছিল ভিড়।