বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) সংস্কারে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদি। তিনি বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় ডব্লিউটিও সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তবে এই সংস্কার যেন সংস্থাটির মৌলিক নীতিমালাকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। দীর্ঘ সময় ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে গড়ে ওঠা বর্তমান কাঠামো সংস্কারের নামে নষ্ট করা উচিত নয়। কারণ বিশ্বের অধিকাংশ অর্থনীতি এই নিয়মভিত্তিক বহুপক্ষীয় বাণিজ্য ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল।
গতকাল শুক্রবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ক্যামেরুনের ইয়াউন্দেতে গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ১৪তম মন্ত্রিপর্যায়ের সম্মেলনে বহুপক্ষীয় বাণিজ্য ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ করণীয় শীর্ষক অধিবেশনে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
মন্ত্রিপর্যায়ের এই সম্মেলনে সদস্য দেশগুলো বৈশ্বিক বাণিজ্যনীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এবারের সম্মেলনে ১৬৬টি সদস্য দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী ও প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে। প্রতিনিধি দলে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জেনেভায় বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রয়েছেন।
‘ডব্লিউটিও রিফর্ম : ফান্ডামেন্টাল ইস্যুজ’ শীর্ষক অধিবেশনটিতে খন্দকার মুক্তাদির বলেন, ডব্লিউটিওর মূল ভিত্তি হলো সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যনির্ভর উন্নয়নকে উৎসাহিত করা। বৈষম্যহীনতা ও অন্তর্ভুক্তির নীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা ঐকমত্যভিত্তিক ও নিয়মভিত্তিক এই বহুপক্ষীয় বাণিজ্য ব্যবস্থা উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর পাশাপাশি স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা নিশ্চিত করেছে।
