এবারের পহেলা বৈশাখ ঐতিহ্যবাহী ধারায় উদযাপন করা হবে। তবে চারুকলার পরিচিত শোভাযাত্রা আগের নামেই ফিরবে কি না সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন
সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রা ও আনন্দ শোভাযাত্রার মধ্যে মূলত কোনো পার্থক্য নেই। পহেলা বৈশাখকে তিনি সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে উদযাপিত এক সর্বজনীন উৎসব হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন করে আনন্দ শোভাযাত্রা করেছিল, যা প্রয়োজনীয় ছিল না বলে তিনি মনে করেন। এ নিয়ে যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তা এড়িয়ে যেতে চায় সরকার।
মন্ত্রী বলেন, আসন্ন পহেলা বৈশাখ যথাযথ সম্মান ও গুরুত্বের সঙ্গে উদযাপন করা হবে। এ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ, বাংলা একাডেমি, বিভিন্ন নৃতাত্ত্বিক সম্প্রদায় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিদের নিয়ে সমন্বয় সভা হয়েছে। এবারের আয়োজনে কোনো ধরনের অপসংস্কৃতি বা নেতিবাচক কার্যক্রম থাকবে না। দেশ জুড়ে শোভাযাত্রা, আলপনা আঁকা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মেলার আয়োজন করা হবে বলে জানান তিনি।