নাঙ্গলকোট উপজেলায় বসতবাড়িতে সংঘবদ্ধ চোরচক্রের চুরি-লুটপাট ও গৃহস্থকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের হেসিয়ারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। একই গ্রামের ইউনুছ মিয়ার ছেলে মেহেদী হাসান ফয়সালের বসতবাড়িতে রাতের আঁধারে সংঘবদ্ধ চোরচক্র হানা দেয়।
অভিযোগে বলা হয়, সাদ্দামের নেতৃত্বে ভুট্টু, বেলাল, হেলাল, হানিফ, বাবুল মিয়া ও ইমনসহ একদল চোর ফয়সালের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে। তারা বাড়ির উঠানে থাকা একটি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চুরি করে নেয়। পাশাপাশি বসতঘরে ঢুকে আলমিরা ভেঙে নগদ ৫০ হাজার টাকা, একটি দামি স্মার্টফোন, আসবাবপত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র লুট করে।
এ সময় ফয়সাল বিষয়টি টের পেয়ে চোরদের চিনতে পেরে ‘চোর চোর’ বলে চিৎকার করলে চোরচক্রের সদস্যরা তাকে বেধড়ক মারধর করে। অভিযোগ রয়েছে, তারা তাকে টেনে-হিঁচড়ে ঘরের বাইরে এনে আরও এক দফা মারধর করে গুরুতর আহত করে।
চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে চোরচক্র দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ফয়সালকে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে এক সপ্তাহ চিকিৎসা শেষে বর্তমানে তিনি বাড়িতে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান ফয়সাল সাতজনের নাম উল্লেখ করে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগীর পরিবার প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে মা-ছেলের মৃত্যু