নীলফামারী সদরে মতিউল ইসলাম নামের এক যুবককে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে গেলেও তার মা-বাবা ও ছোট ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বৃহ¯পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের কিসামত দোগাছি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মতিউল ইসলাম ওরফে মতিবুল (৪৫) একই এলাকার হামিদ হোসেনের ছেলে।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, একই এলাকার একরামুল হকের (৫২) স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননী সাহেরা বানুর (৪০) সঙ্গে প্রতিবেশী মতিউল ইসলামের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর জের ধরে কিছুদিন আগে মতিউল ইসলামের হাত ধরে সংসার ছাড়েন সাহেরা বানু। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হলে সাহেরা বানু পুরনো সংসারে ফিরে আসেন। তবে যোগাযোগ বন্ধ করেননি মতিউল ও সাহেরা। এসব নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহ¯পতিবার রাতে সাহেরা বানুর বাড়ির আশপাশে মতিউলকে ঘোরাফেরা করতে দেখে সাহেরার বড় ছেলে আলামিন ইসলাম (২৩)। তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হলে একপর্যায়ে আলামিন তামাক কাটার কাস্তে দিয়ে মতিউল ইসলামের গলায় আঘাত করেন। গুরুতর আঘাতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান মতিউল। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে পালিয়ে যায় আলামিন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারুক আহমেদ বলেন, ‘অভিযুক্ত আলামিন পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
