উপসাগরীয় দেশগুলোতে সতর্কতা জারি!

আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০১ এএম

অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ে এখনো চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। বিশেষ করে ইরানের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অবস্থান এবং ইসরায়েলি বাহিনীর চূড়ান্ত নির্দেশ না পাওয়ার বিষয়টি এই অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নাটকীয় মোড় নিয়েছে। একদিকে শান্তির আশা জাগলেও অন্যদিকে কুয়েত, বাহরাইন, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে একযোগে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং সক্রিয় করা হয়েছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করছে। বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশজুড়ে সতর্ক সংকেত (সাইরেন) বাজিয়েছে। সাধারণ মানুষকে দ্রুত কাছের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ রাজধানী রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে আগাম সতর্কতা জারি করেছে। সম্ভাব্য বড় ধরনের বিপদের আশঙ্কায় নাগরিকদের সতর্ক করা হয়েছে।কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে নিরাপত্তা হুমকির মাত্রা অত্যন্ত ‘উচ্চ’। জনসাধারণকে ঘরের বাইরে বের না হয়ে ভেতরে অবস্থানের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রায় ‘একযোগে’ সতর্কতা জারির ঘটনা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তারা বড় ধরনের কোনো প্রক্সি হামলা বা কারিগরি ত্রুটির কারণে সৃষ্ট মিসাইল আক্রমণের আশঙ্কা করছে। যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে, তবে সেই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই এই নতুন সতর্কবার্তায় বিশ্ববাজারে আবারও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত