চৌদ্দগ্রামের আলকরায় বাংলা নববর্ষ উদযাপন!

আপডেট : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৮ এএম

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আলকরা ইউনিয়ন ও নোয়াজ্জা বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে ব্যবসায়ী ও সাধারণ পথচারীদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে। সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী, ‘আলোকিত চৌদ্দগ্রাম’ সম্পাদক ও প্রকাশক মো. আমিরুল আলম খাঁন রিপনের পক্ষে ওই মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এ সময় মানুষকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় টাঙানো হয়েছে ব্যানার-ফেস্টুন।

মঙ্গলবার (১৪এপ্রিল) সকালে বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মো. আমিরুল আলম খাঁন রিপনের পরিবারের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে আলকরা ইউনিয়ন নিয়ে তার ভবিষ্যত পরিকল্পনা সম্বলিত হাতপাখার আদলে তৈরি একটি করে মিনি প্ল্যাকার্ড প্রদান করা হয়। এর আগে ধোপাখিলায় নিজ বাড়িতে দোয়া-মিলাদ ও মোনাজাতের মাধ্যমে এ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আমিরুল আলম খাঁনের পিতা, সাবেক ইউপি সদস্য ফজলুল হক খাঁন, ভাই জহিরুল আলম খাঁন, ছোট ভাই ফারুক খাঁন, সমাজবেক মাস্টার জাফর আহমেদ, সোহাগ খাঁন, আলা উদ্দিন, স্বপন খাঁন, আব্দুল  আলী, মাওলানা মো. সালাহ উদ্দিন, জহির উদ্দিন মোল্লা, জাফর আহমেদ খাঁন, আব্দুল মোতালেব ভূঁইয়া, আবুল বাশার ভূঁইয়া, পেয়ার আহমেদ, রিয়াদ খাঁন, জামাল উদ্দিন খাঁন, খন্দকার সোহাগসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও যুব সমাজের নেতৃবৃন্দ।

আলকরা ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. আমিরুল আলম খাঁন রিপন মুঠোফোনে বলেন, একটি আধুনিক, উন্নত ও সমৃদ্ধময় আলকরা ইউনিয়ন গড়তে বেশ কিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। আমি সেবক হতে এসেছি। মানুষের সেবা করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। ইতোপূর্বে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে পুরো ইউনিয়নের গরীব ও অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করেছি। বিভিন্ন সময় মানুষের সুখে-দুঃখে থাকার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও যেন জনসেবা অব্যাহত রাখতে পারি, সেজন্য চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ইচ্ছে রয়েছে। আমি যদি নির্বাচিত হই, ইউনিয়নে স্বাক্ষরতার হার শতভাগে উন্নিত করবো। ইউনিয়নের রাস্তাঘাট, পুল-কালভার্টের উন্নয়নসহ সকল অবকাঠামোগত উন্নয়ন করবো। শিক্ষা-সংস্কৃতির ব্যাপক প্রসারসহ বেকার যুবক-যুবতিদের কর্মসংস্থানের জন্য পরিষদের তত্বাবধানে স্কিল ডেভেলপমেন্ট কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। আলকরাবাসীর সেবা করতে আমি সকলের দোয়া চাই।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত