দেশীয় চলচ্চিত্রের এক সময়ের দাপুটে অভিনেতা ওয়াসিমের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০২১ সালের এই দিনে সিনেমার রাজপুত্র-খ্যাত এই অভিনেতা প্রয়াত হন। মৃত্যুর বেশকিছু দিন আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। ব্রেনে ছিল জটিলতা। কয়েক দফায় হাসপাতালেও নেওয়া হয়। কিন্তু সব চেষ্টা করেও বাঁচানো যায়নি তাকে।
একসময় বাণিজ্যিক-অ্যাকশনের পাশাপাশি ফোক-ফ্যান্টাসি সিনেমার এক নম্বর আসনটি দখলে ছিল ওয়াসিমের। ১৯৭২ সালে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক এস এম শফীর সঙ্গে তাঁর পরিচয় ঘটে। ‘ছন্দ হারিয়ে গেল’ সিনেমার সহকারী পরিচালক হিসেবে ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় তার।
এতে ছোট একটি চরিত্রে অভিনয়ও করেন। মোহসিন পরিচালিত ‘রাতের পর দিন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্রথম নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায় আসেন তিনি। সেই সিনেমার অসামান্য সাফল্যে দ্রুতই তিনি ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক হয়ে ওঠেন। দেড় শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন বাংলা সিনেমার এই ‘সওদাগর’।
১৯৭৬ সালে মুক্তি পাওয়া এস এম শফী পরিচালিত ‘দি রেইন’ সিনেমা তাঁর ক্যারিয়ারের মাইলফলক। কারণ, এই ছবির কারণেই সব শ্রেণির দর্শকের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেন তিনি। পৃথিবীর ৪৬টি দেশে মুক্তি পেয়েছিল সিনেমাটি।
দ্য রেইন ছাড়াও ওয়াসিম অভিনীত বাহাদুর, দোস্ত দুশমন, সওদাগর, নরম গরম, ইমান, মিস লোলিতা, চন্দন দ্বীপের রাজকন্যা, বেদ্বীন, জীবন সাথী, রাজনন্দিনী, রাজমহল, বিনি সুতার মালা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ও ব্যবসাসফল। ২০০৯ সালের পর সিনেমা থেকে নিজেকে আড়াল করে নেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি প্রযোজনাও করেছেন। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের নাম ছিল ডব্লিউ আর প্রোডাকশন।
কিছুক্ষণ পরে দ্বিতীয় দিনের মতো শুরু হচ্ছে বিএনপির নারী আসন মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার
প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই: শিক্ষামন্ত্রী
এক দশক পর প্রাইম ব্যাংকে ফিরলেন মাহমুদউল্লাহ