গ্লুকোমা থেকে বাঁচার উপায়

আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৫ এএম

দৃষ্টিশক্তি হারানোর প্রধান কারণ গ্লুকোমা। বয়স বাড়লে গ্লুকোমার ঝুঁকি বাড়ে। কিন্তু কারও যদি ডায়াবেটিস এবং গ্লুকোমা আক্রান্ত হওয়ার পারিবারিক ইতিহাস থাকে, সে ক্ষেত্রে বিপদ দ্বিগুণ হয়ে যায়।

ডায়াবেটিস কেবল রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায় না, এটি চোখের সূক্ষ্ম রক্তনালিগুলোরও ক্ষতি করে। দীর্ঘদিন ধরে রক্তে শর্করার পরিমাণ অনিয়ন্ত্রিত অবস্থায় থাকলে অপটিক নার্ভে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এর ফলে চোখের অভ্যন্তরীণ চাপ সামান্য বাড়লেও অপটিক নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। এ ছাড়া ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে ‘ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি’র সমস্যাও দেখা যায়, যা গ্লুকোমার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তোলে।

যদি বাবা-মা, ভাইবোন বা নিকটাত্মীয়ের গ্লুকোমা থেকে থাকে, তবে পরিবারের অন্যদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বহুলাংশে বেড়ে যায়। চোখের গঠনগত কিছু বৈশিষ্ট্য বংশপরম্পরায় প্রবাহিত হওয়ার কারণেই এমনটা ঘটে। অনেক ক্ষেত্রে বংশগত কারণে গ্লুকোমা অল্প বয়সেই হানা দিতে পারে।

গ্লুকোমার প্রাথমিক কোনো লক্ষণ থাকে না। এই রোগে আক্রান্ত হলে সাধারণত চোখের পার্শ্ববর্তী অংশের দৃষ্টি (চবৎরঢ়যবৎধষ ঠরংরড়হ) আগে নষ্ট হয়। রোগী যখন অনুভব করেন যে, তার দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসছে, ততক্ষণে অপটিক নার্ভের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যায়। তাই ব্যথা বা অস্বস্তির জন্য অপেক্ষা না করে নিয়মিত পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।

যা করতে হবে

ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখা।

যাদের পরিবারে গ্লুকোমার ইতিহাস রয়েছে বা যারা ডায়াবেটিক, তারা বছরে অন্তত একবার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

নিয়মিত শরীরচর্চা এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ চোখের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত