'কনকাশন সাব' অমিতের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড

আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪১ পিএম
আগের দিন ছিলেন ৮৮ রানে অপরাজিত, বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিনের খেলায় অমিত হাসান ইনিংসটাকে প্রায় দ্বিগুণ লম্বা করেছেন, আউট হয়েছেন ১৬২ রান করে। তাতে পূর্বাঞ্চলও পেয়েছে বড় লিড। তবে অমিতের সেঞ্চুরির মাহাত্ম্য সেটা নয়। অমিত এমন এক ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছেন, যে ম্যাচ শুরুর সময়ে তিনি একাদশেই ছিলেন না!
 
পূর্বাঞ্চলের একাদশে উইকেটরক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন জাকের আলি অনিক। অমিত ছিলেন একাদশের বাইরে। পূর্বাঞ্চলের বোলিংয়ের সময়, ৫৬.২ ওভারে পেসার খালেদ আহমেদের বলে বুকে বলের আঘাত পান জাকের। লুটিয়ে পড়েন মাটিতে। তাকে স্ট্রেচারে করে মাঠ থেকে নিয়ে যান নিয়োজিত রেডক্রসের স্বাস্থ্যকর্মীরা। প্রথমে বদলি উইকেটরক্ষকের দায়িত্বে মাঠে আসেন অমিত, পরে ম্যাচ রেফারি জানান অমিত কনকাশন সাবস্টিটিউট কারণ জাকেরকে ৩৬ ঘন্টার পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তবে এখানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়মের খানিকটা ভাঙ্গাও হয়েছে।
 
বিসিএল এবং জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) এর প্লেয়িং কন্ডিশন অনুযায়ী শুধু মাথায় আঘাত নয়, কোন ক্রিকেটার গুরুতর আহত হলে তার বিকল্প একই রকম একজন ক্রিকেটারকে নেয়া যাবে। টেস্টে মারনাস লাবুশেন স্টিভেন স্মিথের কনকাশন বদলি নেমে করেছিলেন ৫৯ রান যা টেস্টে একজন বদলি খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ, ওয়ানডেতেও লাবুশেন ক্যামেরন গ্রিন বাউন্সারে মাথায় আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়ার পর তার বিকল্প নেমে করেছিলেন ৮০ রান। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে কনকাশন-বদলি হিসেবে নেমে সেঞ্চুরি এই প্রথম। 
 
অমিতের সেঞ্চুরির সঙ্গে মুশফিকুর রহিম (৮৩) ও ইয়াসির আলি চৌধুরির (৭৯) হাফসেঞ্চুরিতে পূর্বাঞ্চলের প্রথম ইনিংসে সংগ্রহ ৪৬৩ রান। মধ্যাঞ্চল প্রথম ইনিংসে ৩০৭ রানে অলআউট হবার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে, তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ৮২ রান তুলতেই তারা হারিয়েছে ৭ উইকেট। মধ্যাঞ্চল পিছিয়ে আছে ৭৪ রানে, এই রানের ভেতর বাকি ৩ উইকেট হারালেই তারা ইনিংস ব্যবধানে হেরে যাবে পূর্বাঞ্চলের কাছে।
 

ম্যাচের অবস্থা সংক্ষেপে

 
মধ্যাঞ্চল ১ম ইনিংস: ৩০৭/১০ (৯১.৪ ওভার); আবু হায়দার রনি ৯০, আশিকুর রহমান শিবলি ৮৬, সাদমান ইসলাম ৫৬; ইবাদত হোসেন ৪/৫৪, তোফায়েল আহমেদ ৩/৩১।
 
পূর্বাঞ্চল ১ম ইনিংস: ৪৬৩/১০ (১১৬.০ ওভার); অমিত হাসান ১৬২, মুশফিকুর রহিম ৮৩, ইয়াসির আলি চৌধুরী ৭৯*; রাকিবুল হাসান ৫/১৫২, এনামুল হক ২/৯৪।
 
মধ্যাঞ্চল ২য় ইনিংস: ৭৪/৫ (২১.০ ওভার); মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ২২, আশিকুর রহমান শিবলি ১৩*, মাহফিজুল ইসলাম রবিন ১৩; হাসান মুরাদ ২/১৯, ইবাদত হোসেন ১/১১, তোফায়েল আহমেদ ১/২২।
 
ফলাফল: মধ্যাঞ্চল এখনও ৮২ রানে পিছিয়ে আছে।
 
×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত