নোংরামি স্বাভাবিক হলে কেউই নিরাপদ থাকে না: মিতু

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৩ পিএম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতুর কিছু সম্পাদিত আপত্তিকর ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এমন প্রবণতাকে সমাজের ‘ভাইরাস’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন তরুণ রাজনীতিবিদ।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো ওই ২৩টি ছবি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেছেন মিতু। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘সমাজে যখন একটি খারাপ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে, তা একসময় সাধারণ মানুষের ঘর পেরিয়ে পৌঁছে যায় রাজার প্রাসাদ পর্যন্ত।’

মিতু আরও লেখেন, জাইমা একজন নারী। আমিও একজন নারী। রাজনীতিতে নতুন থাকাকালীন কোনো কথা বলার আগেই বুলিংয়ের শিকার হয়েছি আমি। হামলাও হয়েছে আমার ওপর। শুধুমাত্র এনসিপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই আমাকে নিয়ে বানানো হয়েছে অসংখ্য নোংরা ছবি। আজ সেই একই অসুস্থ সংস্কৃতি পৌঁছে গেছে জাইমা পর্যন্ত। আওয়ামী লীগ জাইমাকে নিয়ে এমন নোংরা ছবি বানিয়েছে, যা যেকোনো নারীর জন্যই অত্যন্ত কষ্টদায়ক।

এনসিপি নেত্রী দাবি করেন, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ করে একসঙ্গে সেসব ছবি নিয়ে ঝাপিয়ে পড়েন বিএনপির সাইবার ইউনিটের দায়িত্বশীলরা। আমি ও আমার মতো নারীরা যে মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যায়, সেই যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে এখন জাইমাকেও যেতে হচ্ছে। এটা খুবই দুঃখজনক।

বিএনপির নীতি নির্ধারণী পর্যায় থেকে এই সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে কোনো স্পষ্ট অবস্থান কেন দেখা যায় না-এমন প্রশ্নও তুলেছেন ডা. মাহমুদা মিতু। তিনি আরও লেখেন, আপনারা যারা সাধারণ জনগণ, আপনাদেরও এই বিষয়ে প্রতিবাদ করতে হবে। তা না হলে আপনাদের ঘরে যে কন্যাশিশু আছে, সেই শিশু বড় হলে সেও বিনা কারণে শিকার হবে এসবের। যে সমাজে নোংরামি স্বাভাবিক হয়ে যায়, সেখানে শেষ পর্যন্ত কেউই নিরাপদ থাকে না।

সাইবার বুলিং নিয়ে কাজ করতে চান জানিয়ে তিনি বলেন, সে ক্ষেত্রে প্রতিনিধি টিম গঠনের প্ল্যান রয়েছে প্রতিটি উপজেলা থেকে। আপনারা যদি আমার সঙ্গে কাজ করতে চান জানাবেন, এটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক উদ্যোগ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত