অ্যালোভেলার বহুবিধ গুণ। বুকজ্বালা থেকে শুরু করে স্তন ক্যানসারের বিস্তারকে ধীর করে। সর্বজনীন উদ্ভিদ হিসেবে অ্যালোভেরার চাহিদা বিশ্বজুড়ে।
বুকজ্বালা উপশম : গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ হজমজনিত সমস্যা যার ফলে বুকজ্বালা হতে পারে। খাবারের সময় ১ থেকে ৩ আউন্স অ্যালোভেরা জেল খেলে জিইআরডি-এর তীব্রতা কমে। হজম-সম্পর্কিত অন্যান্য সমস্যাও সহজ হয়।
ফল ও সবজি তাজা রাখা : কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে অ্যালো জেল দিয়ে প্রলেপ দেওয়া টমেটো গাছ অনেক ধরনের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করেছে। অ্যালো জেল ফল ও সবজিকে তাজা রাখতে সাহায্য করতে পারে এবং রাসায়নিকের প্রয়োজনীয়তা দূর করে।
মাউথওয়াশের বিকল্প : অ্যালোভেরা নির্যাসকে রাসায়নিক-ভিত্তিক মাউথওয়াশের নিরাপদ এবং কার্যকর বিকল্প হিসেবে খুঁজে পেয়েছেন। এই উদ্ভিদের প্রাকৃতিক উপাদান, যার মধ্যে ভিটামিন-সি আছে, যা দাঁতের প্লাক প্রতিরোধ করতে পারে। দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তপাত বা ফুলে গেলে আরাম দেবে।
রক্তে শর্করার মাত্রা কমায় : টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতিদিন দুই টেবিল চামচ অ্যালোভেরার রস পান করলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যেতে পারে। যেসব ব্যক্তি গ্লুকোজ কমানোর ওষুধ গ্রহণ করেন, তারা অ্যালোভেরা খেলে ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন। কারণ ডায়াবেটিসের ওষুধের সঙ্গে এই রস আক্রান্তের শরীরের গ্লুকোজের মাত্রা বিপজ্জনক পর্যায়ে নামিয়ে আনতে পারে।
ত্বকের যত্ন : ত্বক পরিষ্কার এবং আর্দ্র রাখতে অ্যালোভেরা ব্যবহার করতে পারেন।
যদি আপনি দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভোগেন কিংবা কোলাইটিস বা হেমোরয়েডস থাকে, তবে অ্যালোভেরা খাওয়া উচিত নয়। পেটে তীব্র ব্যথা এবং ডায়রিয়ার কারণ হতে পারে। এ ছাড়াও অন্য কোনো ওষুধ সেবন করলে অ্যালোভেরা খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে।