প্রশাসনকে জনমুখী হতে হবে মানবিকতা আইনের চেয়ে বড়

আপডেট : ০৭ মে ২০২৬, ০৭:২৮ এএম

প্রশাসনকে জনমুখী করে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সরকারি দপ্তরে সাধারণ মানুষ যেন সম্মানের সঙ্গে দ্রুত, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত সেবা পায়, সেটি নিশ্চিত করা আপনাদেরই দায়িত্ব। আইন অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, তবে জনসেবার ক্ষেত্রে মানবিকতা আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ।

গতকাল বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন’-এর বার্ষিক সম্মিলন ২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা প্রদান করেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘একজন বৃদ্ধ কিংবা অসুস্থ মানুষ যখন আপনাদের অফিসে আসেন, তখন তাদের বিষয়গুলো আইনগত উপায়ে সমাধানের পাশাপাশি মানবিক আচরণ করাও জরুরি। সেবাগ্রহীতার প্রতি আপনাদের আন্তরিক ব্যবহার রাষ্ট্র ও সরকারব্যবস্থা সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণার জন্ম দেয়।’

তারেক রহমান বলেন, ‘রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলোথ জনগণের বিশ্বাস। সরকার ও প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমেই এই বিশ্বাস তৈরি হয়। প্রশাসন শুধু আইন প্রয়োগের যন্ত্র নয়, এটি মানুষের সেবার একটি মাধ্যম।’

নির্বাচনী ইশতেহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দেশ ও জনগণের কল্যাণে আমরা দলীয়ভাবে যে ইশতেহার প্রণয়ন করেছিলাম, জনগণ তাতে সমর্থন জানিয়েছে। সুতরাং এটি এখন আর বিএনপির দলীয় ইশতেহার নয়; এটি এখন জনগণের ইশতেহার। এখন এই ইশতেহার বাস্তবায়নের পালা।’

জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের সরকারের প্রশাসনিক ‘অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনস্বার্থে নেওয়া সরকারের কাজগুলো বাস্তবায়নের প্রধান দায়িত্ব আপনাদের ওপরই বর্তায়। সরকারের সাফল্য শেষ পর্যন্ত জনপ্রশাসনের সাফল্যের ওপরই নির্ভর করে।

বর্তমান সরকারের ওপর জনগণের অনেক প্রত্যাশা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা বলি জনগণই রাষ্ট্রের মালিক। এ মালিকরা যখন আপনাদের কাছে সেবা নিতে আসেন, তারা যেন আপনাদের ব্যবহারে সেই মালিকানা অনুভব করতে পারেন। একজন দিনমজুর যখন জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে আসেন, তিনি হয়তো নিয়মকানুন জানেন না। সে ক্ষেত্রে আপনাদের আন্তরিক ব্যবহার সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি করবে।’

তরুণ প্রজন্মকে দেশের সম্ভাবনা হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুযোগ নিয়ে তরুণদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে হবে। তারাই বদলে দেবে বাংলাদেশ।’

সবশেষে কর্মকর্তাদের নির্ভয়ে ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জনগণের কল্যাণে আপনাদের যেকোনো আইনগত ও মানবিক উদ্যোগে সরকার সবসময় সক্রিয় সহায়তা দেবে।’

জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের শেষ দিনে ‘জনবান্ধব প্রশাসন’ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে জেলা প্রশাসকদের ২৬০টিরও বেশি দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের অভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট মামলাগুলো যাচাই করা হবে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী : গতকাল বুধবার সম্মেলনের শেষ দিনে ডিসিদের কাছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দায়ের হওয়া মামলাগুলোর তালিকা চাওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য এক মাসের মধ্যেই নিরপরাধ ব্যক্তিদের নাম এসব মামলা থেকে প্রত্যাহার করা। গতকাল রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত অধিবেশন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

এর আগে গত রবিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এবার প্রথম চার দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনের প্রথম দিনে ডিসিরা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দ্বিতীয় দিনে তারা স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং তৃতীয় দিনে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এবারের সম্মেলনে দেশের আটটি বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও ৬৪ জেলার ডিসিরা অংশ নেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, ডিসি সম্মেলন উপলক্ষে আটজন বিভাগীয় কমিশনার ও ৬৪ জেলার ডিসিদের কাছ থেকে ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাব পেয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এর মধ্যে কার্যপত্রে অন্তর্ভুক্ত হওয়া ৪৯৮টি প্রস্তাবের ওপর সম্মেলনে আলোচনা করা হয়। অন্য সময়ে ডিসি সম্মেলন তিন দিনব্যাপী হলেও এবার চার দিনব্যাপী হয়েছে।  এর মধ্যে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকেই এসেছে ৪৪টি প্রস্তাব। গতকাল রাতে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ডিসিসহ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডিনার করেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছে। এরপর নির্বাচনের মধ্যদিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর পূর্ববর্তী মেয়াদের, বিশেষ করে অভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর স্বচ্ছতা নিশ্চিতে এই বড় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিল বর্তমান সরকার।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সম্মেলনে মাঠ প্রশাসনে শৃঙ্খলা রক্ষা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে গৃহীত নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়েছে। পাশাপাশি ডিসিদের বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’ 

তিনি জানান, জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে প্রাক-নির্বাচনী সময়ে যেসব লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল জনসাধারণকে, সেই অস্ত্রগুলো এখনো ফেরত দেওয়া হয়নি। সেই বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে, যাতে যথাশিগগির সেগুলো ফেরত দেওয়া হয়। চিঠিতে নিম্নলিখিত তিন ক্যাটাগরিতে আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে : (১) ২০০৯ সালের ০৬ জানুয়ারির পূর্বের লাইসেন্সভুক্ত আগ্নেয়াস্ত্র, (২) ২০২৪ সালের ০৫ আগস্টের পর লাইসেন্সভুক্ত আগ্নেয়াস্ত্র এবং (৩) ২০০৯ সালের ০৬ জানুয়ারি হতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজনৈতিক বিবেচনায় ইস্যুকৃত লাইসেন্সসমূহ যাচাই-বাছাইয়ের লক্ষ্যে ইতোপূর্বে গঠিত কমিটি কর্তৃক যাচাই-বাছাই অন্তে যেসব লাইসেন্স নীতিমালা মোতাবেক ইস্যু হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হবে, সেসব লাইসেন্সভুক্ত আগ্নেয়াস্ত্র।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জমা না দেওয়া প্রায় ১০ হাজার অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সাঁড়াশি অভিযান, মামলা ও বাজেয়াপ্তকরণ প্রক্রিয়া জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

বিগত সরকারের আমলে দায়ের করা ‘গায়েবি’ ও ভুয়া মামলা নিরসনে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি ভুয়া, হয়রানিমূলক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলাগুলো যাচাই করবে। ভুক্তভোগীরা নির্ধারিত ফরমে চার্জশিট বা এজাহারসহ আবেদন করতে পারবেন। প্রাথমিক যাচাই শেষে সুপারিশসমূহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে যাবে। সিআরপিসি ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী আইনগতভাবে এসব মামলা প্রত্যাহারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ৫ আগস্ট-পরবর্তী গণহত্যামূলক মামলাগুলোয় যাতে নিরপরাধ কেউ বা কোনো সাংবাদিক অযথা হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

আসন্ন ঈদুল আজহা নিরাপদ করতে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সড়ক-মহাসড়কের উপর ও রেলপথের পাশে কোনো পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না। বড় হাটগুলোয় জালনোট শনাক্তকরণ মেশিন থাকবে এবং পুলিশ বডি ওর্ন ক্যামেরা নিয়ে টহল দেবে। তিনি জানান, ঈদের সাত দিন আগে পুলিশ সদর দপ্তরে কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল স্থাপন করা হবে। মহাসড়কগুলো সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে। ফেরিঘাটগুলোয় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাইকিং ও সচেতনতামূলক সাইনবোর্ডের ব্যবস্থা করা হবে।’

চামড়াশিল্প রক্ষায় সরকারের বিশেষ পরিকল্পনার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, উপজেলা পর্যায়ে বিনামূল্যে পর্যাপ্ত লবণ সরবরাহ করা হবে, যাতে তৃণমূল পর্যায়েই সাত দিন পর্যন্ত চামড়া সংরক্ষণ করা যায়। ঢাকার ইটিপি সিস্টেমের ধারণক্ষমতা বিবেচনায় চামড়াগুলো যাতে সাত দিন পর ক্রমান্বয়ে ঢাকার দিকে আনা হয়, সে বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পুশব্যাকের আশঙ্কার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-কে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থাকতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া মাদক, জুয়া এবং অনলাইন বেটিংয়ের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে। এ বিষয়ে নিয়মিত অভিযান চলবে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর প্রধানরা।

খেলার মাঠে মেলা বন্ধ করা হবে : ডিসি সম্মেলন শেষে বেরিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক বলেন, ‘ভবিষ্যতে খেলার মাঠে মেলা করার অনুমতি দেওয়া হবে না।’

জেলা পর্যায়ের মাঠগুলোয় মেলার কারণে খেলাধুলা বন্ধ থাকা নিয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন ‘নতুন কুড়ি স্পোর্টস কিন্তু ৬৪টি জেলার জেলা স্টেডিয়ামেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমি দেখেছি যে, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে মেলার জন্য বিগত সময়গুলোতে অনুমতি দেওয়া হতো। কিন্তু আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মেলা উদযাপনের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতেও স্টেডিয়ামকে ব্যবহার করে মেলা বসানোর সুযোগ আমরা দেব না।’

দুই সিটি করপোরেশনের খেলার মাঠে হকার পুনর্বাসনের প্রস্তাবে তিনি বলেন, ‘দুই সিটি করপোরেশন, আমাদের তিনজন মন্ত্রী ও সচিবরা মাঠগুলো পরিদর্শন করছেন। এর মধ্যে যেগুলো খেলার উপযোগী, সেগুলোতে নিশ্চয়ই তারা হকার পুনর্বাসন করবেন না। এই বিষয় নিয়ে আমরা প্রয়োজনে তাদের সঙ্গে কথা বলে সেগুলো নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।’

প্রতিমন্ত্রী জানান, সারা বাংলাদেশের জেলা স্টেডিয়াম, ক্রীড়া কমপ্লেক্স কিংবা সুইমিং কমপ্লেক্সগুলো সংস্কারের মাধ্যমে সচল করার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, যাতে তৃণমূল থেকে খেলোয়াড় তুলে আনার চেষ্টা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যায়।

তিনি বলেন, ‘সারা দেশে কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছি এবং কিছু প্রকল্প চলমান রয়েছে। এই প্রকল্পগুলো যেন সঠিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করা হয় বা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয়, তা নিশ্চিতে আমরা এরই মধ্যে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনাদের আহ্বান জানিয়েছি। তাদের বলা হয়েছে আপনাদের সঙ্গে আমাদের এমন একটি যোগসূত্র তৈরি হবে, যাতে আমরা তৃণমূল পর্যায়ে আমাদের যুবক এবং আগামীর প্রজন্মকে সংযুক্ত করে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে পারি।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত