যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সফরসঙ্গী হিসেবে বেইজিং সফর করছেন। নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও তিনি কীভাবে চীন সফর করছেন, সেটি নিয়ে আলোচনা চলছে।
রুবিও সিনেটর থাকাকালে চীনের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন। বিশেষ করে জিনজিয়াংয়ে উইঘুর মুসলিমদের পরিস্থিতি এবং হংকংয়ে বেইজিংয়ের নীতির বিরুদ্ধে তিনি সরব ছিলেন। এর জেরে চীন রুবিওর ওপর একাধিক দফায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের পক্ষ থেকে রুবিওর নামের চীনা প্রতিবর্ণীকরণ পরিবর্তনের পরই তার সফরের পথ সহজ হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে সম্প্রতি চীনের অবস্থানে পরিবর্তন দেখা যায়। গত মঙ্গলবার বেইজিং জানায়, ৫৪ বছর বয়সী এই মার্কিন কূটনীতিককে দেশে প্রবেশে বাধা দেওয়া হবে না। এরপরই ট্রাম্পের সফরসঙ্গী হিসেবে তিনি প্রথমবারের মতো চীন সফর করেন।
চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ পেংইউ জানান, সিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় রুবিওর কর্মকাণ্ড ও বক্তব্যের প্রতিক্রিয়াতেই তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল।
এএফপি আরও জানায়, চীনা ভাষায় বিদেশি নাম লেখার ক্ষেত্রে ধ্বনিগত রূপান্তর একটি প্রচলিত প্রক্রিয়া। ইংরেজি ‘র’ ধ্বনির সরাসরি প্রতিরূপ না থাকায় ‘রুবিও’ নামটি প্রথমে চীনা ভাষায় একটি নির্দিষ্ট ধ্বনিগত রূপে লেখা হতো। পরবর্তীতে সেই লেখার ধরনে পরিবর্তন আনা হয়, যা কূটনৈতিক পর্যায়ে নতুন ব্যাখ্যার জন্ম দিয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো দাবি করছে, নামের এই পরিবর্তনের মাধ্যমেই পূর্ববর্তী নিষেধাজ্ঞার আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা এড়িয়ে যাওয়ার পথ তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধুই ভাষাগত পরিবর্তন নয়; বরং ওয়াশিংটন-বেইজিং সম্পর্কের নতুন বাস্তবতার প্রতিফলন, যেখানে কঠোর অবস্থান থেকে কিছুটা নমনীয় কূটনৈতিক কৌশলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে দুই দেশ।
নেতানিয়াহুর গোপন সফরের কথা অস্বীকার আরব আমিরাতের