৪৮৪ ম্যাচের অভিজ্ঞতা

আপডেট : ১৬ মে ২০২৬, ০৭:৩৭ এএম

ইনজুরি কাটিয়ে মাঠে ফেরার সব প্রচেষ্টা অবশেষে সফল হলো রোমেলু লুকাকুর। আগামী বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত বেলজিয়ামের দলে জায়গা করে নিয়েছেন নাপোলির এই তারকা স্ট্রাইকার। লুকাকু ছাড়াও বেলজিয়ামের মিডফিল্ডের প্রাণভোমরা কেভিন ডি ব্রুইনা এবং রিয়াল মাদ্রিদের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া নিজেদের চতুর্থ বিশ্বকাপ অভিযানে নামতে যাচ্ছেন।

বেলজিয়ামের হয়ে লুকাকু ১২৪টি, ডি ব্রুইনা ১১৭টি এবং কোর্তোয়া ১০৭টি ম্যাচ খেলেছেন। অভিজ্ঞতার দিক থেকে এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা দল হতে যাচ্ছে বেলজিয়াম। তবে অভিজ্ঞতায় এই তিন তারকাকেও ছাড়িয়ে গেছেন ৩৭ বছর বয়সী ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার অ্যাক্সেল উইটসেল। তিনিও নিজের চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন এবং বেলজিয়ামের জার্সিতে ইতিমধ্যে ১৩৬টি ম্যাচ খেলেছেন। সব মিলিয়ে এই চারজনের অভিজ্ঞতা ৪৮৪ ম্যাচের।

৩৩ বছর বয়সী স্ট্রাইকার লুকাকু গত বছরের জুনে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ওয়েলসের বিপক্ষে গোল করার পর থেকে প্রায় এক বছর জাতীয় দলের হয়ে খেলেননি। ইনজুরির কারণে চলতি মৌসুমে নাপোলির হয়ে সিরি আ-তে মাত্র ৫টি ম্যাচ খেলতে পেরেছেন তিনি। গত মার্চ ও এপ্রিলে বেলজিয়ামের প্রীতি ম্যাচের স্কোয়াডে তাকে রাখা হলেও ফিটনেস সমস্যার কারণে তিনি নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন।

বেলজিয়াম স্কোয়াড; গোলরক্ষক : থিবো কোর্তোয়া, সেনে ল্যামেন্স, মাইক পেন্ডার্স। ডিফেন্ডার : টিমোথি কাস্টাগনে, জেনো ডেবাস্ট, ম্যাক্সিম ডি কুপার, কোনি ডি উইন্টার, ব্র্যান্ডন মেচেল, থমাস মিউনিয়ার, নাথান এনগয়, জোয়াকিন সেসি, আর্থার থিয়েট। মিডফিল্ডার : কেভিন ডি ব্রুইনা, আমাদু ওনানা, নিকোলাস রাস্কিন, ইউরি তিলেমান্স, হান্স ভানাকেন, অ্যাক্সেল উইটসেল। ফরোয়ার্ড : চার্লস ডি কেটেলারে, জেরেমি ডোকু, মাতিয়াস ফার্নান্দেজ-পার্দো, রোমেলু লুকাকু, ডোডি লুকেবাকিও, ডিয়েগো মোরেইরা, অ্যালেক্সিস সেলেমেকার্স, লিয়ান্দ্রো ত্রোসার্দ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত