ইসরায়েলি হামলায় দক্ষিণ লেবাননে নিহত ১৬

আপডেট : ২০ মে ২০২৬, ০৮:৫১ এএম

ইসরায়েলি বিমান হামলায় দক্ষিণ লেবাননে ১৬ জন নিহত এবং ১৫ জনের বেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে লেবাননের চিকিৎসা ও স্থানীয় গণমাধ্যম।

টাইর জেলার দেইর কানুন আল-নাহর শহরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ ১০ জন নিহত হন। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আরও হতাহতদের উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসা সূত্র।

নাবাতিয়েহ জেলার হারুফ শহরে পৌর ভবনের কাছে ড্রোন হামলায় একজন নিহত হন। অন্যদিকে বিনত জবেইল জেলার ফ্রুন শহরে মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে চালানো ড্রোন হামলায় আরও একজন নিহত হয়েছেন।

এছাড়া কফারসির শহরের আল-মাহফারা এলাকায় একটি বাড়িতে হামলায় দুই নারীসহ চারজন নিহত হন। হামলায় ভবনটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়।

এদিন ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান কফাররিমান, কাফরা, কফারদৌনিন, আল-শাহাবিয়া, আল-রাইহান, জাওতার আল-শারকিয়া, আল-কুসাইবা, দেইব্বিন, মারাকা, আল-বাজুরিয়া, আল-মাজাদেল, আল-হাউশ-টাইর এলাকা, দেইর কানুন আল-নাহর এবং নাবাতিয়েহ শহরেও হামলা চালায়।

অন্যদিকে ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক অবস্থানে ধারাবাহিক হামলার দাবি করেছে হিজবুল্লাহ। সংগঠনটি জানিয়েছে, তারা দোভিভ বসতিতে অবস্থান নেওয়া ইসরায়েলি সেনাদের ওপর আত্মঘাতী ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এছাড়া মিসগাভ আম এলাকায় একটি সামরিক যানও ড্রোন দিয়ে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, মিসগাভ আমের কাছে একটি গাড়িতে হামলায় একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

হিজবুল্লাহ আরও দাবি করেছে, তারা তাইবেহ শহরের একটি ইসরায়েলি সামরিক যোগাযোগযান লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে এবং রেশাফ এলাকায় সেনা ও সামরিক যানবাহিনীর সমাবেশে রকেট নিক্ষেপ করেছে।

সংগঠনটি উত্তর ইসরায়েলের আরব আল-আরামশে গ্রামের পশ্চিমে এবং রাস আল-নাকৌরা নৌঘাঁটিতেও আত্মঘাতী ড্রোনের ঝাঁক ব্যবহার করে হামলার কথা জানিয়েছে। এছাড়া জাল আল-আলাম এলাকায় একটি আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা প্ল্যাটফর্ম ধ্বংসেরও দাবি করেছে তারা।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে এখন পর্যন্ত দেশটিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৪২ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছেন আরও ৯ হাজার ৩০১ জন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত