চামড়া শিল্পের টেকসই উন্নয়নে ১৩ দফা 

আপডেট : ২৩ মে ২০২৬, ০১:৩১ পিএম

চামড়া শিল্পের টেকসই উন্নয়নে ১৩ দফা প্রস্তাবনা জানিয়েছে, লেদার ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ (এলআইডিএফবি)। শনিবার (২৩ মে) রাজধানীর পল্টন টাওয়ারে ইআরএফ অডিটরিয়ামে সংগঠনটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে থেকে এ ১৩ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এলআইডিএফবির আহ্বায়ক সাদাত হোসেন সেলিম, বক্তব্য রাখেন - এলআইডিএফবির মহাসচিব এম. মোফাজ্জল ইবনে মাহফুজসহ আরও অনেকে। 

এলআইডিএফবির ১৩ দফা
স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয় বা বোর্ড গঠন; রাস্তবমুখী ও বিশেষ ব্যাংকিং নীতিমালা প্রণয়ন; স্থানীয় চামড়া ও ফুটওয়‍্যার এবং শিপারদের (কমার্শিয়াল এক্সপোর্টাস) আর্থিক সুবিধা প্রদান; বৈশ্বিক মানদণ্ড অর্জন ও সিইটিপি আধুনিকায়ন; লেদার গুডস ফুটওয়‍্যার সিটি পার্ক স্থাপন; নতুন চামড়া শিল্প অঞ্চল ও বৈদেশিক বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি; ঈদুল আজহায় কাঁচা চামড়া সংরক্ষণে স্বল্পমেয়াদি ঋণ; ক্ষুদ্র ও মাঝারি রপ্তানিকারকদের জন্য বিশেষ কেমিক্যাল ও এক্সপোর্ট প্রণোদনা; কেমিক্যাল আমদানি সহজীকরণ ও দেশীয় উৎপাদন জোন স্থাপন; চামড়া/ পাদুকা বিষয়ক পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ও আধুনিক গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা; কাঁচা চামড়া সংরক্ষণ কেন্দ্র ও সরকারি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন; দেশীয় বাজারে চামড়ার ব্যবহার বৃদ্ধি ও কিছু ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক করা এবং আন্তর্জাতিক বিপণন ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের বাধা দূরীকরণ। 

বক্তারা বলেন, ঈদ আসলেই কোরবানির পশু এবং চামড়া সংরক্ষণের বিষয় সামনে আসে। সারাবছর আর খবর থাকেনা। অথচ পোশাক শিল্পে এ খাতের গুরুত্ব রয়েছে। সরকার ও উদ্যোক্তাদের সমন্বয়হীনতার কারণে চামড়া শিল্প খাত বিকশিত হতে পারছে না। 

সরকারের অবহেলার প্রসঙ্গ তুলে সাদাত হোসেন সেলিম বলেন, চামড়া শিল্পের নিজস্ব কাঁচামাল থাকার পরেও এ খাতের কোন মন্ত্রণালয় নাই। অথচ পোশাক খাতের মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন দপ্তর রয়েছে। আর চামড়া শিল্পকে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের (বিসিক) আওতায় রাখা হয়েছে। এতে বুঝা যাচ্ছে সরকার চামড়া খাতকে কেমন গুরুত্ব দিচ্ছে। অবহেলা যাই থাকুক, সামনের দিনে সবাই মিলে সরকারের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে অবহেলার কারণগুলো তুলে ধরতে চাই। আশা করছি, আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে সরকার চামড়া শিল্প খাতকে গুরুত্ব দিবে এবং পোশাক শিল্পেরমত রপ্তানিতে অবদান রাখবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত