কৃষিপণ্য অনিরাপদ হওয়ায় রপ্তানি বাজারে প্রবেশ করা যাচ্ছে না

আপডেট : ২৪ মে ২০২৬, ০৭:৫৬ এএম

দেশে শাক-সবজি, ফলমূল উৎপাদন-পর্যায়ে সীমাহীন কীটনাশক ব্যবহার হচ্ছে। যেখানে এক কেজি কীটনাশকের দরকার সেখানে দেওয়া হচ্ছে তিন কেজি। ফলে বিশ্ব বাজারে খাদ্যপণ্য রপ্তানির সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অনিরাপদ খাদ্যের কারণে সেই বাজারে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, সরবরাহ ও বাজারজাত নিশ্চিত করতে হবে। গতকাল শনিবার বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ফেলোশিপ প্রদান ও অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এসব কথা বলেন।

ঢাকায় বিএফএসএ কার্যালয়ে সেমিনারে খাদ্যের মান নিয়ে গবেষণার জন্য বিশ^বিদ্যালয়ের ২০ ছাত্র-ছাত্রীকে ফেলোশিপের অনুদানের চেক প্রদান করা হয়। এ সময় খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, বিএফএসএ-এর চেয়ারম্যান মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতনরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন দেশে খাদ্যপণ্য ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। সেসব দেশের চাহিদা অনুযায়ী নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করতে হয়। তারা রপ্তানিতে অনেক কঠোর নিয়ম মেনে চলে। বর্তমানে খাদ্যে ভেজাল নীরব ঘাতক হিসেবে কাজ করছে। এ থেকে জাতিকে রক্ষা করতে খাদ্যের নিরাপদতা নিশ্চিত করা ছাড়া কোনো উপায় নেই।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত