পৃথিবী ঘুরবে উল্টো দিকে

আপডেট : ২৬ মে ২০২৬, ০৭:৩২ এএম

পৃথিবীর ঘূর্ণন কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে গেলে বা বিপরীত দিকে ঘুরতে শুরু করলে কী হবে? পৃথিবীতে কি তখন প্রবল ভূমিকম্প হবে? মহাকর্ষ বল শেষ হয়ে যাবে? অথবা চৌম্বক ক্ষেত্রের ওপর প্রভাব পড়বে? এসবের উত্তর খুঁজছেন বিজ্ঞানীরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পৃথিবীর ভেতরের অংশ গরম ও কঠিন লোহা দিয়ে তৈরি। ফলে পৃথিবীতে চৌম্বক ক্ষেত্র এবং মহাকর্ষ বল তৈরি হয়। পৃথিবীর কেন্দ্রে ঘূর্ণনের কারণে এটি ঘটে। নেচার জিওসায়েন্সের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রায় ৭০ বছর পর পর পৃথিবীর কেন্দ্রে ঘূর্ণনের দিক পরিবর্তন হয়। এখন বিশ্বাস করা হচ্ছে, এই পরিবর্তনটি পৃথিবীর কেন্দ্রের বিপরীত দিকে ঘুরতে শুরু করবে। বিজ্ঞানীদের একটি দল দাবি করছে যে, পৃথিবী তার ঘূর্ণনের দিক পরিবর্তন করতে পারে। ২০০৯ সালে পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ কোরের ঘূর্ণন থেমে যায়। তারপর তা আশ্চর্যজনকভাবে বিপরীত দিকে ঘুরে। বর্তমানে আবার সে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে অর্থাৎ ভূগর্ভে কী ঘটছে, তা তখনই অনুভব করা যায় যখন ভূমিকম্প বা আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণে পৃথিবী কাঁপতে থাকে। এ বিষয়ে নেচার জিওসায়েন্সে একটি প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়েছে। তাতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, পৃথিবীর কেন্দ্রের ঘূর্ণনের উপরিভাগকে স্থির করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রায় ৭০ বছর পর পৃথিবীর আবর্তনে পরিবর্তন হবে। তবে বিজ্ঞানীরা মনে করেন, কয়েক সেকেন্ডের জন্য ঘূর্ণন বন্ধ করে দিলে বা দিক পরিবর্তন করলে পৃথিবীতে বিশেষ কোনো প্রভাব পড়বে না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত