দেশের শিশু স্বাস্থ্যের সবচেয়ে বড় ও সর্বোচ্চ বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট এখন গভীর সংকটে নিমজ্জিত। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অসুস্থ শিশুদের শেষ ভরসাস্থল হিসেবে পরিচিত এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে নানা অনিয়ম, প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা, নিয়োগ-পদোন্নতিতে স্বজনপ্রীতি, বিপুল অর্থের বিতর্কিত প্রকল্প এবং অভ্যন্তরীণ সিন্ডিকেটের করাল গ্রাসে ধ্বংসের মুখে পড়েছে।
বছরের পর বছর ধরে চলা দুর্নীতি এবং হীন স্বার্থপরতার কারণে হাসপাতালটি তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। বিভিন্ন সভা-সেমিনারে এটিকে ‘সেন্টার অফ এক্সিলেন্স’ বা ‘টার্শিয়ারি কেয়ার হাসপাতাল’ হিসেবে ব্যাপকভাবে প্রচার করা হলেও এর বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের পরিদর্শনের সময় একটি সাজানো-গোছানো মিথ্যা চিত্র উপস্থাপন করে প্রকৃত সত্যকে সবসময়ই অন্তরালে ঢেকে রাখা হয়।
সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের একাংশ বলছেন, হাসপাতালটি এখন কার্যত একটি প্রভাবশালী ও সংঘবদ্ধ চক্রের কব্জায় জিম্মি হয়ে পড়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটলেও এই সিন্ডিকেটের প্রভাব কমেনি, বরং সাম্প্রতিক সময়ে অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতা আরও কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
হাসপাতালের প্রতিটি স্তরে আত্তীকরণ ও ল্যাটারাল এন্ট্রির (পার্শ্বীয় পথ) মাধ্যমে বংশপরম্পরায় অযোগ্য ও অদক্ষ লোক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা বর্তমানে একটি কমার্শিয়াল বা রুটিন প্র্যাকটিসে পরিণত হয়েছে। যোগ্যতা ও নিয়মনীতি উপেক্ষা করে রাজনৈতিক প্রভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছে স্বজনদের। বিশেষ করে ৫ আগস্টের পর বর্তমান পরিচালক সম্পূর্ণ অবৈধভাবে বাইরে থেকে ৫ জন নতুন প্রফেসর নিয়োগ দিয়েছেন, যাদের পেছনে প্রতি মাসে ৫ লক্ষ টাকা করে ব্যয় হচ্ছে; অথচ হাসপাতালে একাডেমিক বা চিকিৎসাগতভাবে তাদের কোনো প্রয়োজনই ছিল না। একইভাবে খেয়ালখুশিমতো অ্যাডহক ভিত্তিতে কোনো জাতীয় বিজ্ঞপ্তির প্রকাশ না করে এবং কোনো প্রকার লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষা ছাড়াই ছয় মাসের জন্য ৬৫ জন চিকিৎসক নিয়োগের ঘটনাটি সবচেয়ে বড় আলোচনার জন্ম দেয়। এই দুর্নীতির কারণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও পরিচালনা বোর্ড থেকে পরিচালককে কঠোর ভাষায় পত্রের মাধ্যমে সতর্ক করার পরও প্রশাসন কোনো কর্ণপাত করেনি। পরবর্তীকালে তীব্র সমালোচনা ও নীতিগত ত্রুটির মুখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিয়োগটি বাতিল করতে বাধ্য হলেও, এই ঘটনার পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে চিকিৎসা শিক্ষার সমস্ত মানদণ্ড ভেঙে জুলাই ছাত্র আন্দোলনের পর ২২ জন সাধারণ ডিসিএইচ (ডিপ্লোমা) ধারী চিকিৎসককে সহকারী ও সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। যেখানে মেডিকেল ইনস্টিটিউটের শিক্ষক হওয়ার জন্য দীর্ঘমেয়াদি উচ্চশিক্ষা ও মানদণ্ডের প্রতীক হিসেবে এমএস, এমডি বা এফসিপিএস ডিগ্রির প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২ বছরের একটি ডিপ্লোমা কোর্সধারীদের এই উচ্চতর পদে বসানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা একে রিকশাচালককে উড়োজাহাজ চালানোর অনুমতি দেওয়ার সাথে তুলনা করেছেন। একই সাথে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাদের চাকরির বয়সসীমাও ৫৯ বছর থেকে বাড়িয়ে ৬৫ বছর করার প্রক্রিয়া চলছে, যা অতীতে ঘটলেও বর্তমানে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় বেশ কয়েকজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। যেমন ডা. ইসরাত লাকি ২০১১ সালে মেডিকেল অফিসার পদ ছেড়ে অন্যত্র উন্নত চাকরিতে যোগ দেওয়ার পরও সম্প্রতি বৈষম্যের অভিযোগ তুলে সম্পূর্ণ অবৈধ উপায়ে সরাসরি অধ্যাপক পদে পুনরায় যোগদান করেছেন। আবার ডা. মো. শাহজাহান ২০১৯ সালে অবসর গ্রহণের সময় সব ধরনের অবসর ও আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে বিগত সরকারের আমলে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেলেও, ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক ভোল বদলে তিনি আবার পূর্ণ অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেছেন।
অনিয়মের এই ধারা এখানেই শেষ নয়। অধ্যাপক নাজমা ইয়াসমিন একটি আন্ডারগ্র্যাজুয়েট মেডিকেল কলেজে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় একই সময়ে দুটি ভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে ডা. আজহার অবসরের সময় সমস্ত আর্থিক সুবিধা নেওয়ার পর উপপরিচালক (হাসপাতাল) পদে যোগ দেন, যা সাধারণত কর্মরত সহযোগী অধ্যাপকদের জন্য সংরক্ষিত এবং এর জন্য অতিরিক্ত কোনো বেতন প্রযোজ্য নয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রভাব কাজে লাগিয়ে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। এছাড়া ডা. কামাল নামের একজন চিকিৎসকের শুধু একটি ডিপ্লোমা ডিগ্রি থাকা সত্ত্বেও তিনি রাজনৈতিক প্রভাবে সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক পর্যন্ত দুটি পদোন্নতি বাগিয়ে নিয়েছেন এবং বর্তমানে অধ্যাপক হওয়ার জন্য জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন, যাকে এই অনিয়মের অন্যতম পরিকল্পনাকারী হিসেবে গণ্য করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালনা বোর্ডের বর্তমান চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, আর্থিক অনিয়ম ও সরাসরি প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতালে যখন সাধারণ রোগীদের জন্য জরুরি অ্যাম্বুলেন্স ও যানবাহনের তীব্র সংকট চলছে, তখন চেয়ারম্যান নিজের ব্যবহারের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি কথিত ভুয়া অনুমতিপত্র ব্যবহার করে প্রায় ৪৮ লাখ টাকা মূল্যের একটি বিলাসবহুল গাড়ি সংগ্রহ করেছেন এবং নিয়মবহির্ভূতভাবে হাসপাতালে নিজের জন্য ব্যক্তিগত অফিস স্থাপন করেছেন। চেয়ারম্যানের অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ এবং হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ ৮ জন চিকিৎসককে ঘিরে গড়ে ওঠা শক্তিশালী সিন্ডিকেটের কারণে চেইন অব কমান্ড পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। পরিস্থিতির এই চরম অবনতি সহ্য করতে না পেরে অবশেষে হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মাহবুবুর রহমান পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। এদিকে শূন্য হওয়া এই পরিচালক পদটি দখল করার জন্য ডা. নাজমা ও অধ্যাপক ডা. রিয়াজ মোবারকের পক্ষে একটি প্রভাবশালী গ্রুপ জোর তদবির ও লবিং চালাচ্ছে, যা হাসপাতালের অভ্যন্তরে চরম উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
হাসপাতালকে ঘিরে বর্তমানে সবচেয়ে বড় বিতর্ক ও লুটপাটের প্রস্তুতি চলছে ‘বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল সম্প্রসারণ-২’ নামক একটি মেগা প্রকল্পকে কেন্দ্র করে। বিগত সরকারের আমলে অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত ও অবকাঠামোগত ত্রুটিযুক্ত ‘সি-ব্লক’ ভবনের ওপর ভিত্তি করেই এই সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়নের তোড়জোড় চলছে, যদিও হাসপাতালের পূর্ববর্তী প্রশাসন এই প্রজেক্টটি বাতিল করেছিল। বর্তমান পরিচালক পূর্ববর্তী প্রশাসনের বাতিলকৃত এই প্রজেক্টটিকে ৩৪৩ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৮৩ কোটি টাকায় উন্নীত করে ৯ তলা নির্মাণের জন্য জোর তদবির করছেন। প্রস্তাবিত প্রকল্পে ভবন থেকে সীমিত সংখ্যক শয্যা বৃদ্ধি পেলেও বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় ধরা হয়েছে অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয়ের নামে, যা মূলত সরকারি অর্থের চরম অপচয় এবং লুটপাটের একটি নতুন ফাঁদ ছাড়া আর কিছুই নয়। এমনকি ভবনের অবকাঠামোগত ত্রুটির কারণে পার্কিংয়ের প্রবেশপথ এতটাই সংকুচিত যে, সেখানে একটি সাধারণ অ্যাম্বুলেন্স পর্যন্ত প্রবেশে সমস্যা হচ্ছে। এই মেগা প্রকল্পের পেছনে অন্যতম প্রধান কারিগর হিসেবে কাজ করছেন নেসার উদ্দিন নামের এক কর্মকর্তা, যার মূল পদ ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর (ডেভেলপমেন্ট)’ হলেও, বর্তমান বিদায়ী পরিচালক মাহবুবকে মেগা প্রজেক্টের বিপুল অর্থের লোভ দেখিয়ে তিনি নিজের আয়ত্তে নেন এবং পরিচালক তাকে ‘ডেপুটি ডিরেক্টর (ফাইন্যান্স)’-এর মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব দেন। বর্তমানে হাসপাতালের সমস্ত আর্থিক খাতে নেসার উদ্দিন তার নিজস্ব লোক বসিয়ে একটি শক্তিশালী আর্থিক সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন।
রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে পঙ্গু হাসপাতালের একটি অংশ নিয়ে প্রায় ৬ দশমিক ১ একর জমির ওপর শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হলেও ভুল পরিকল্পনা ও চরম প্রশাসনিক অদক্ষতার কারণে এর কোনো সুফল প্রতিষ্ঠানটি পাচ্ছে না। হাসপাতালের অভ্যন্তরে কর্মচারীদের বসবাসের জন্য যে পুরোনো আবাসন বা স্টাফ কোয়ার্টারটি রয়েছে, সেটি বর্তমানে ৫৩ বছরের পুরোনো এবং অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এই কোয়ার্টারের মোট ১৭৪টি পরিবারের মধ্যে মাত্র ৩৪টি পরিবার শিশু হাসপাতালের কর্মচারীদের, বাকি ১৪০টি পরিবারই ‘জাতীয় অর্থোপেডিক্স ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান’ (নিটোর/পঙ্গু হাসপাতাল)-এর কর্মচারীদের। অথচ নিটোর ইতোমধ্যেই তাদের নিজস্ব জায়গায় দৃষ্টিনন্দন বহুতল ভবন নির্মাণ করে ফেলেছে। প্রাথমিকভাবে দুই প্রতিষ্ঠানের মৌখিক সমঝোতায় এটি চললেও, শিশু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিয়মিত এই জমির খাজনা ও অন্যান্য কর পরিশোধ করার পরও স্থাপনার সিংহভাগ সুবিধা ভোগ করছেন পঙ্গু হাসপাতালের স্টাফরা, যা বর্তমানে শিশু হাসপাতালের জন্য একটি বড় বিষফোঁড়ায় পরিণত হয়েছে।
বর্তমানে হাসপাতালে প্রশাসনিক চেইন অফ কমান্ড পুরোপুরি অকার্যকর হয়ে পড়েছে এবং একেক জনের জন্য একেক নিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতাই এখানে প্রধান নীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসনের খামখেয়ালিপনার কারণে অভিজ্ঞ কর্মীদের মূল দায়িত্ব থেকে সরিয়ে অপ্রাসঙ্গিক কাজে বাধ্য করা হচ্ছে, যার প্রমাণ মেলে অপারেশন থিয়েটারের (ওটি) অভিজ্ঞ বয়কে লিফটম্যান বা রান্নার কাজে পাঠানো এবং মূল প্রকৌশলীকে (ইঞ্জিনিয়ার) দিয়ে সাধারণ টাইপিস্টের কাজ করানোর মাধ্যমে। এর পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে চিকিৎসকদের নির্দিষ্ট সময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত না হওয়া, বিভিন্ন ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানির সাথে অনৈতিক সম্পর্ক তৈরি ও চাঁদাবাজি, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে দুর্ব্যবহার, উন্নয়ন কাজে বাধা প্রদান এবং রোগী কেনাবেচার (রোগী বাণিজ্য) মতো জঘন্য কাজের সাথে সংশ্লিষ্টরা জড়িয়ে পড়েছেন। হাসপাতালের সমগ্র বাজেট ও পরিকল্পনা এখনো ৪০ বছর পিছিয়ে আছে এবং সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কিছু বাহ্যিক বা দৃশ্যমান পরিবর্তন এলেও ভেতরের ব্যবস্থাপনা পুরোপুরি ধসে পড়েছে।
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের মূল ব্যর্থতা হলো, প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি একটি বিকলাঙ্গ ও অন্ধকার জায়গাতেই স্থবির হয়ে আছে। প্রশাসনের চরম অদক্ষতার কারণে প্রতিবেশী পঙ্গু হাসপাতালের সাথে প্রতিযোগিতায় তারা এক চুলও এগোতে পারেনি। দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই শিশু চিকিৎসাকেন্দ্রটি যেভাবে সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে, তাতে শেষ পর্যন্ত সাধারণ রোগী ও দেশের সামগ্রিক শিশু স্বাস্থ্যের ওপর এর ভয়াবহ নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এই ধ্বংসপ্রায় প্রতিষ্ঠানটিকে বাঁচাতে এবং প্রকৃত অর্থে একটি বিশ্বস্ত ‘টার্শিয়ারি কেয়ার হাসপাতাল’-এ রূপান্তর করতে হলে অনতিবিলম্বে একজন সৎ, নির্ভীক, মেধাসম্পন্ন এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে এর নেতৃত্বের দায়িত্বভার অর্পণ করতে হবে। তা না হলে এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ সম্পূর্ণরূপে অন্ধকারের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাবে।
