গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। আজ শনিবার (৬ জুন) দুপুরে ভুক্তভোগির চাচা ফিরোজ মিয়া বাদী হয়ে সাঘাটা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
এর আগে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শুক্রবার রাতে ৩ যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। উপজেলার গাছাবাড়ী গ্রামের মণ্ডলপাড়ার (চরপাড়া) বুরুঙ্গী বিল থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, লাবু মিয়া (২৫), নিরব মিয়া (২০), রহমত উল্লাহ (২২)। তাদের তিনজনের বাড়ি গাছাবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকায়।
শনিবার থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেন গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি র্সাকেল) শেখ মুত্তাজল ইসলাম। তিনি জানান, শুক্রবার রাতে একটি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একজন পলাতক রয়েছে। তার নাম স্বাধীন মিয়া (২০)। ভুক্তভোগি পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। তাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিক ভুক্তভোগি কিশোরী নেটওয়ার্কের সমস্যার কারণে ঘর থেকে বের হয়ে তার বাড়ির উঠানে মোবাইলে কথা বলছিল। এসময় কয়েকজন যুবক ওই কিশোরীর মুখ বেধে তুলে নিয়ে যায়। পরে একটি বিলের মাঝে নিয়ে তাকে গণধর্ষণ করে। এসময় কিশোরীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ওই যুবকদের পিছনে ধাওয়া করে তিনজনকে আটক করে, একজন পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেয়। খবর পেয়ে সাঘাটা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই তিন যুবককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। লাবু মিয়া (২৫), নিরব মিয়া (২০), রহমত উল্লাহ (২২) ও স্বাধীন মিয়াকে (২০) আসামি করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর তাদেরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
আম খাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ 