৫ বছরের রিয়াকে ধর্ষণের পর জীবিতই নদীতে ফেলা হয়

ময়মনসিংহে গ্রেপ্তার ৩

আপডেট : ১৭ জুন ২০২৬, ০৬:৪৭ এএম

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর কংস নদ থেকে রিয়া মনি (৫) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মারুফ মিয়া (১৯), আরিফ মিয়া (১৯) ও রাকিব মিয়া (২১)। তাদের বাড়ি গোয়াতলা ইউনিয়নের টাঙ্গাহাটি গ্রামে।

ময়মনসিংহের সহকারী পুলিশ সুপার (হালুয়াঘাট সার্কেল) মিজানুর রহমান জানায়, গ্রেপ্তার তিনজনের মধ্যে একজনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির ওপর চারজন মিলে যৌন নির্যাতন চালিয়েছে। তবে অন্য দুই আসামি এখনো এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেননি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক আরেকজনকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে অভিযুক্ত একজনের বক্তব্য অনুসারে, রবিবার বিকেলে স্থানীয় বাজার থেকে চিপস কিনে বাড়ি ফেরার পথে শিশুটির সঙ্গে দেখা হয় চার তরুণের। মাগরিবের আজান দেওয়ার আগমুহূর্তে তারা শিশুটিকে কদম ফুল দেওয়ার কথা বলে কৌশলে কংস নদের পাড়ে একটি জঙ্গলে ঘেরা স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তারা শিশুটিকে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে শিশুটি নিস্তেজ হয়ে পড়লে তাকে জীবিত অবস্থায় কংস নদে ফেলে দেওয়া হয়।

নিহত শিশুর স্বজন ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেল ৫টার দিকে নিজ বাড়ির পাশ থেকে শিশুটি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শিশুটির বাড়ি থেকে ৫০০ গজ দূরে স্থানীয় লোকজন কংস নদের বাঁক থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গোসল করানোর সময় শিশুটির স্পর্শকাতর স্থানে ক্ষত দেখে ধর্ষণ ও হত্যার সন্দেহ করা হয়। পরে পুলিশ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।

এই ঘটনায় শিশুটির বাবা সোমবার রাতে ধোবাউড়া থানায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত