ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া ও কসবা উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কৃতি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী কন্যা জাইমা রহমান।
মঙ্গলবার ঢাকার গুলশানের লেকশোর হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আখাউড়া ও কসবা উপজেলার মোট ৯০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে আখাউড়া উপজেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের ৩৪ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের কন্যা এবং রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মেহভীন রহমান মুনিয়া এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। দুপুরে শুরু হওয়া এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কসবা-আখাউড়া আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান।
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ শিক্ষা সপ্তাহ এবং নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ইভেন্ট—যেমন উপস্থিত বক্তৃতা, বিতর্ক, কবিতা আবৃত্তি, ভারসাম্য দৌড়সহ নানা প্রতিযোগিতায় জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী আখাউড়া ও কসবা উপজেলার শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এই আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে জাইমা রহমান শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বলভাবে মতবিনিময় করেন। তিনি একে একে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও স্বপ্ন সম্পর্কে জানতে চান এবং পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার পরামর্শ দেন। এ সময় তিনি নিজের জীবনের নানা অভিজ্ঞতাও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন।
শিশুদের রান্না জানা আছে কি না—এমন প্রশ্নও করেন তিনি। কয়েকজন শিশু হ্যাঁ বললে তিনি তাদের এলাকায় গেলে কী খাওয়াবে জানতে চান। শিশুরা জানায়, তারা বিরিয়ানি রান্না করে খাওয়াবে। জবাবে জাইমা রহমান বিরিয়ানির সঙ্গে ইলিশ মাছ খাওয়ার ইচ্ছার কথাও জানান।
রামধননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নাহিয়ান ওসমান রাহিন বলেন, ‘আমার খুব ভালো লেগেছে। প্রধানমন্ত্রী কন্যা এত কাছে এসে আমাদের সঙ্গে গল্প করবেন, ভাবতে পারিনি। তিনি আমাদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার পরামর্শ দিয়েছেন।’
উপস্থিত সহকারী শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌস বাবলী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কন্যার সঙ্গে শিশুরা খুব ভালো সময় কাটিয়েছে। তিনি প্রতিটি শিশুর কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং নিজের জীবনের অভিজ্ঞতাও শেয়ার করেছেন।’
আখাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ড. দৌলত হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘এ ধরনের আলোচনা শিক্ষার্থীদের অত্যন্ত অনুপ্রাণিত করে। তিনি শিক্ষার্থীদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং তাদের উৎসাহিত করেছেন।’
উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার কফিল উদ্দিন বলেন, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের ৩৪ জন শিক্ষার্থী এতে অংশ নেয়।
আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, ‘জাইমা রহমানের এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের অত্যন্ত অনুপ্রাণিত করেছে।’
ব্যক্তির চিকিৎসা ব্যয় কমাতে কৌশলী বিনিয়োগের তাগিদ