ভারতের চেরাপুঞ্জিতে অধিক বৃষ্টিপাতের ফলে সুনামগঞ্জের নদ-নদী ও হাওরের পানি বাড়ছে। সুরমা নদীর পানি বিপদ সীমা থেকে ৪০ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। এতে করে নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
স্থানীয়রা জানায়, পাহাড়ি ঢলের পানিতে সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় জেলা শহরের সঙ্গে তাহিরপুর উপজেলার সরাসরি সড়ক পথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। তাহিরপুরের আনোয়ারপুরের সড়কটি ও পুরোপুরি ডুবে গেছে। এতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন অর্ধ লাখ মানুষ।
গত দুই দিন ধরে সুনামগঞ্জে বৃষ্টিপাত হচ্ছে, পাশাপাশি ভারতের চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের সব নদ-নদীর পানি বেড়েছে।
এদিকে, তাহিরপুর উপজেলার সঙ্গে জেলা শহরের সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় বিকল্প পথ হিসেবে নৌকা দিয়ে জেলা শহরের আসছেন তাহিরপুরবাসীরা। এতে করে তাদের বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে।
অপরদিকে, তাহিরপুর উপজেলার হাওরের পার্শ্ববর্তী গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে যেতে নৌকা দিয়ে যেতে হচ্ছে। সাধারণ জনগণের চলাচলে ভোগান্তী বাড়ছে।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, সৃনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানি বিপদসীমা থেকে ৪৫ মিটার নিচে আছে। বৃষ্টিপাত কারণে পানি আরও বাড়বে। বন্যার শঙ্কা রয়েছে।