ক্ষমতা মানুষকে সম্মানিত করে। আবার লাঞ্ছিতও করে। কেউ ক্ষমতার আসনে বসে মানুষের অধিকার রক্ষা করে ইতিহাসে অমর হয়ে থাকেন। আবার কেউ জুলুম ও অবিচারের কারণে ঘৃণিত হন। নেতৃত্ব কঠিন এক আমানত। এই আমানতের হক আদায় করে যে শাসক ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করেন, তিনি শুধু মানুষের কাছেই নয়, পরকালেও লাভ করবেন সর্বোচ্চ মর্যাদা। কেয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় হবেন এমন ন্যায়পরায়ণ শাসক।
রাসুলুল্লাহ (সা.) কেয়ামতের অবস্থা সম্পর্কে বলতে গিয়ে ন্যায়পরায়ণ শাসকের বিশেষ ফজিলত বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘কেয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় এবং তার সবচেয়ে নিকটবর্তী আসনে থাকবে ন্যায়পরায়ণ শাসক। আর আল্লাহর কাছে সবচেয়ে ঘৃণিত এবং সবচেয়ে দূরে থাকবে অত্যাচারী শাসক।’ (তিরমিজি)
রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিরা আল্লাহর কাছে নুরের মিম্বরসমূহের ওপর অবস্থান করবে। তারা রহমানের ডান পাশে থাকবে। তারা হলো সেসব ব্যক্তি, যারা নিজেদের শাসনকার্যে, পরিবার-পরিজনের ব্যাপারে এবং যাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাদের ব্যাপারে ন্যায়বিচার করে।’ (সহিহ মুসলিম)