জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের অনার্স ২য় বর্ষ পরীক্ষার অনলাইন ফরম পূরণ আগামী ৫ জুলাই থেকে শুরু হবে এবং এই আবেদন প্রক্রিয়া ২৮ জুলাই পর্যন্ত চলবে। সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত শিক্ষার্থী, ২০২০-২০২১, ২০২১-২০২২ ও ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের অনিয়মিত ও গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষার্থীরা এই ফরম পূরণে অংশ নিতে পারবেন। এছাড়া ২০১৮-২০১৯ ও ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের শুধু ‘প্রমোটেড’ শিক্ষার্থীরা গ্রেড প্রাপ্ত কোর্সে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। পরীক্ষার্থীদের ডাটা এন্ট্রি নিশ্চয়নের জন্য ২৯ ও ৩০ জুলাই রাত ১১:৫৯ মিনিট পর্যন্ত সময় পাবে কলেজ কর্তৃপক্ষ। পরবর্তীতে ২ আগস্ট থেকে ৩ আগস্ট বিকাল ৪টার মধ্যে সোনালী সেবার মাধ্যমে সংগৃহীত ফি ব্যাংকে জমা দিতে হবে।
নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে যারা ২০২৪ সালের অনার্স ১ম বর্ষে উত্তীর্ণ হয়ে ২য় বর্ষে প্রমোশন পেয়েছেন, তারা নতুন সিলেবাস অনুযায়ী অংশ নেবেন। অনিয়মিতদের মধ্যে যারা পূর্বে ২য় বর্ষে ‘নট প্রমোটেড’ হয়েছেন, তাদের আগের পাস করা কোর্সের পরীক্ষা পুনরায় দিতে হবে না। গ্রেড উন্নয়নের জন্য সর্বোচ্চ ২টি কোর্সে (শুধু C, C+ এবং D গ্রেড প্রাপ্ত) পরীক্ষা দেওয়া যাবে।
একইসাথে ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষের অকৃতকার্য (F গ্রেড প্রাপ্ত) শিক্ষার্থীরা ৫ হাজার টাকা বিশেষ অন্তর্ভুক্তি ফি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন নবায়ন ছাড়াই শেষবারের মতো ফরম পূরণের সুযোগ পাবেন। এছাড়া ২০২৪ সালের পরীক্ষায় C Promoted প্রাপ্তদের অনুপস্থিত পত্রে অংশ নিতে অতিরিক্ত ১ হাজার ৫০০ টাকা ফি দিতে হবে।
ফি-এর বিবরণে জানানো হয়, তত্ত্বীয় প্রতি পূর্ণ পত্রের জন্য ৩০০ টাকা, প্রতি অর্ধ পত্রের জন্য ২৫০ টাকা এবং ব্যবহারিক প্রতি পত্রের জন্য ২৫০ টাকা হারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ডে জমা হবে। ইনকোর্স ফি বাবদ ৪৫০ টাকা (বিশ্ববিদ্যালয় ১৫০ ও কলেজ ৩০০) এবং তত্ত্বীয় কেন্দ্র ফি বাবদ ৪৫০ টাকা (কলেজ ১৫০ ও কেন্দ্র ৩০০) নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্রেড উন্নয়ন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০০ টাকা।
শিক্ষার্থী ও কলেজের জন্য যে জরুরি নির্দেশনা
পরীক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফরম ডাউনলোড করে নির্ধারিত ফিসহ স্ব-স্ব বিভাগে জমা দিতে হবে। আবেদন ফরমে বিষয়কোড ভুল পূরণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না। কোনো ভুল হলে কলেজ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ফরমটি ক্যানসেল করে পুনরায় ডাউনলোড করতে হবে।
কলেজগুলোকে সম্ভাব্য তালিকার বাইরে থাকা কোনো শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি যোগ্য কোনো শিক্ষার্থীর নাম তালিকায় না থাকে, তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আইসিটি দপ্তরে যোগাযোগ করে নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে।
খেলাপি ঋণের সুদ মওকুফের সুযোগ