দেশে ধর্মীয় শিক্ষার ক্ষেত্রে ইসলামিক এডুকেশনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হলেও গ্রাম-গ্রামান্তরের স্কুল ও কলেজে প্রয়োজনীয়সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ‘শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান ও অনন্য শিক্ষার্থীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশের হাইস্কুলগুলোতে বর্তমানে ৯ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শুদ্ধভাবে কোরআন পড়ার জন্য ‘তাজবিদ’ বিষয়টি না পড়ার কারণে যোগ্য শিক্ষক পাওয়া যাচ্ছে না।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ইসলামিক এডুকেশনকে একটা রিলিজিয়াস এডুকেশন হিসেবে আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকি। কিন্তু সেই ইসলামিক এডুকেশনে আমরা গ্রাম গ্রামান্তরের স্কুল-কলেজগুলোতে শিক্ষক দিতে পারি না।
নয় হাজার শিক্ষক আমার হাইস্কুলে দিতে হবে। কিন্তু আমরা একজনও দিতে পারি না। কারণ সহিহ ভাবে কোরআন পড়ার জন্য তাজবিদ সাবজেক্ট শিক্ষার্থীরা পড়ে না। যদি সহিহভাবে কোরআন না পড়ে, তাহলে আমি কিভাবে শিক্ষক নিয়োগ দিবো?
তিনি আরও বলেন, যোগ্য প্রার্থী পাওয়া গেলে বড় পরিসরে শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ রয়েছে। সচিবের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, সচিব সাহেব বললেন আমরা এক লাখ শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করতে পারি।
প্রত্যেকটা কলেজ, স্কুল, মাদরাসায় এই নিয়োগ দেওয়া সম্ভব। শুধু আমাদের সরকারি প্রাইমারি স্কুলই আছে ৬৫ হাজার, ২৯ হাজার হাইস্কুল আছে। কিন্তু আমরা শিক্ষক নিয়োগ দিতে পাড়ছি না।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ধর্মীয় শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং সহিহভাবে কোরআন শিক্ষার ওপর জোর দেওয়ার মাধ্যমেই এই শিক্ষক সংকট দূর করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।
‘জামায়াত-শিবিরের মেরুদণ্ডটা আবার ভেঙে দেন’