রহস্যময় ভয়নিচ ম্যানুস্ক্রিপ্ট হলো, ইতিহাসের সবচেয়ে রহস্যময় হাতে লেখা সচিত্র বই। ১৫শ শতাব্দীর শুরুর দিকে লিখিত, এই পা-ুলিপির ভাষা ও লেখক অজানা। বর্তমানে এটি ইয়েল ইউনিভার্সিটির বেইনেকে লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত রয়েছে। উইলফ্রিড ভয়নিচ নামের একজন প্রাচীন বই বিক্রেতা, রোমের একটি সংগ্রহশালা থেকে এটি কেনেন। তার নামানুসারে, বইয়ের নামকরণ হয়। এতে মোট ২৪০টি পাতা রয়েছে, যা কোনো ‘অজানা ভাষা’ বা ‘কোডে’ লেখা। নয় বছর পরে ১৯২১ সালে এটি জনসম্মুখে প্রদর্শন করা হয়। বিশে^র শীর্ষস্থানীয় ক্রিপ্টোগ্রাফার ও বিশেষজ্ঞরা, অনেক চেষ্টা করেও পাঠোদ্ধার করতে পারেননি। সুদীর্ঘ সময় আগের বই, কীভাবে ১৯১২ সালে ভয়নিচের হাতে এসে পৌঁছাল? পা-ুলিপিটি যখন ভয়নিচের হাতে, তখন বইয়ের সঙ্গে একটি চিঠিও পান। চিঠিটি লিখেছিল, বিজ্ঞানী জোয়ানাস মার্কাস। তার ইলানীয় বন্ধু আথানাসিয়াস কার্চারকে লিখেছিলেন। মূলত বন্ধুকে সে অনুরোধ করেছিল, বইয়ের ভেতরে কী লেখা আছে তা বের করতে। কিন্তু সম্ভব হয়নি। পাতায় রঞ্জক কালি দিয়ে অদ্ভুত গাছপালা, নক্ষত্র, জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং নল বা পাত্রে স্নানরত নগ্ন নারীর ছবি আঁকা। এরপর থেকে এ ব্যাপারে মানুষের মনে প্রচ- আগ্রহ জন্মে, যা আজও শেষ হয়নি। বইয়ের ভেতরে অদ্ভুত ছবি আর লেখার অর্থ, মানুষের কাছে অধরা। কী লেখা আছে, কেউ এখনো বলতে পারেনি। রহস্যে ঘেরা এই পা-ুলিপি প্রাচীন ভেষজ ওষুধের বই, গুপ্তবিদ্যা কিংবা নিছক কোনো ঠকবাজি কিনা, তা নিয়ে বিতর্ক চলছে।
রহস্যময় ভয়নিচ ম্যানুস্ক্রিপ্ট
প্রকাশ : ০৪ জুলাই ২০২৬, ১২:২৭ এএম
আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২৬, ১২:২৭ এএম
রহস্যময় ভয়নিচ ম্যানুস্ক্রিপ্ট
×
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০