২৫০ বছরে আমেরিকা, ট্রাম্পের ভাষণে ভবিষ্যতের বার্তা

আপডেট : ০৫ জুলাই ২০২৬, ১০:২৯ এএম

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার আড়াইশতম বার্ষিকী উপলক্ষে দেশজুড়ে কনসার্ট, সামরিক উড়োজাহাজের ফ্লাইপাস্ট ও বর্ণিল আতশবাজির আয়োজন করা হয়। তবে তীব্র গরম, বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ের আশঙ্কায় ওয়াশিংটনের কিছু কর্মসূচি সাময়িকভাবে ব্যাহত হলেও পরে ন্যাশনাল মল ও গ্রেট আমেরিকান স্টেট ফেয়ার পুনরায় খুলে দেওয়া হয়।

শনিবার (৪ জুলাই) বৈরী আবহাওয়ার কারণে বিলম্বে দেওয়া প্রায় চল্লিশ মিনিটের ভাষণে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস, স্বাধীনতা যুদ্ধের ঐতিহ্য ও জাতীয় পতাকার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, কোরিয়া ও ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রবীণ সেনাদের মঞ্চে সম্মান জানান। তাঁদের মধ্যে একশ চার বছর বয়সী পার্ল হারবারের প্রত্যক্ষদর্শী অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা কেন শুব্রিং এবং মেডেল অব অনারপ্রাপ্ত অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল প্যারিস ডি. ডেভিসও ছিলেন। 

ভাষণের এক পর্যায়ে ট্রাম্প বলেন, 'এটি আমেরিকার স্বর্ণযুগের সূচনা মাত্র' এবং দেশের ভবিষ্যৎ 'ঈশ্বরের লিখে দেওয়া'। তিনি বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও অনুষ্ঠানে উপস্থিত জনতাকে ধন্যবাদ জানান। 

ইতিহাসভিত্তিক বক্তব্যের পাশাপাশি ট্রাম্প নিজের রাজনৈতিক এজেন্ডাও তুলে ধরেন। তিনি ভোটারদের নাগরিকত্বের প্রমাণ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবিত 'সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট', জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার উদ্যোগ এবং অস্ত্র বহনের সাংবিধানিক অধিকার (সেকেন্ড অ্যামেন্ডমেন্ট) রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

এ সময় তিনি সাম্যবাদের সমালোচনা করে একে 'ক্যানসারের' সঙ্গে তুলনা করেন। এ ছাড়া ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযানে সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক এবং ইরানের নৌবাহিনীর ওপর হামলার মতো বিদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপেরও উল্লেখ করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত