গ্যাস সংকট কাটতে অপেক্ষা আরও অন্তত এক সপ্তাহ

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৫ এএম

আগুনে পুড়ে গেছে এলএনজি টার্মিনালের গুরুত্বপূর্ণ ক্যাবল। ত্রুটি সারিয়ে আবার গ্যাস সরবরাহ করতে সাত থেকে ১০ দিনের মতো সময় প্রয়োজন হবে। তত দিন গ্যাস সংকট মেনে নিতে হবে গ্রাহকদের।

পেট্রোবাংলা সূত্র জানিয়েছে, শুক্র ও শনিবার দুদিনের পর্যবেক্ষণ শেষে বিদেশি বিশেষজ্ঞ দল জানিয়েছে, আগুনে টার্মিনালটির গুরুত্বপূর্ণ কিছু বৈদ্যুতিক ক্যাবল পুড়ে গেছে। শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে এখনো পর্যবেক্ষণ চলছে। এক্সিলারেট এনার্জির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো না হলেও বলা হয়েছে, টার্মিনালের ত্রুটি সারিয়ে আবার সরবরাহ শুরু করতে সাত থেকে ১০ দিনের মতো সময় প্রয়োজন হতে পারে। তবে যত দ্রুত সম্ভব তারা টার্মিনালটিকে আবার গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে।

জানতে চাইলে পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মাইনস) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, বিদেশি বিশেষজ্ঞ দল শুক্র ও শনিবার টার্মিনালটি পর্যবেক্ষণ করেছে। তারা জানিয়েছে, কিছু ক্যাবল পুড়ে গেছে। তবে এখনই বলা যাচ্ছে না, কবে নাগাদ টার্মিনালটি আবার গ্যাস সরবরাহ করতে পারবে। এজন্য কিছুটা সময় লাগবে।

এদিকে একটি টার্মিনাল বন্ধ থাকায় গতকালও আরএলএনজি সরবরাহ করা হয়েছে ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট। স্বাভাবিকভাবে প্রতিদিন এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

গ্যাস সরবরাহ কম থাকায় বাসাবাড়ি, সিএনজি স্টেশন এবং শিল্পকারখানায় একই রকম সংকট রয়েছে। শনিবার দেশের গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরবরাহ কমিয়ে সেই গ্যাস অন্য এলাকায় সরবরাহ করা হলেও সংকট কাটেনি।

মহেশখালীতে দুটি এলএনজি টার্মিনাল রয়েছে। এর মাধ্যমে বিদেশ থেকে আমদানি করা এলএনজিকে গ্যাসে রূপান্তর করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালটি গত মঙ্গলবার আগুন লেগে বন্ধ হয়ে যায়। তবে সামিট পাওয়ারের টার্মিনালটি সচল রয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত