দেশ রূপান্তরে রিপোর্ট প্রকাশের পর তদন্ত কমিটি এনএসসির

আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০১:৫৬ এএম

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) বিভিন্ন অনিয়ম, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি ও দোকান বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে দৈনিক দেশ রূপান্তরে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পর তদন্তে নেমেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সংস্থাটি।

গত ২৯ জুলাই জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (প্রশাসন) টিটন খীসার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে (স্মারক নং-৩৪.০৩.০০০০.০০৩.১৮.০০০১.২১.৮১) এ কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) এ বি এম এহছানুল মামুনকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন সেক্রেটারি/প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাজিদ বিন জাহিদ এবং সহকারী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মুহাম্মদ আশরাফুল আলম।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ জুলাই দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতায় প্রকাশিত ‘বছরে শতকোটি টাকা প্রভাবশালীর পকেটে’ শীর্ষক প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগগুলো জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নজরে এসেছে। প্রতিবেদনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীন বিভিন্ন স্থাপনায় দোকান বরাদ্দ ও ভাড়া ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, জাতীয় স্টেডিয়াম কমপ্লেক্স এবং শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের বাইরে ভাসমান দোকান থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, কর্মচারীদের টেন্ডারবাজি, ভাঙারি মাল বিক্রিতে অনিয়ম, অনুমোদনহীন ভাসমান দোকান পরিচালনা এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের বিষয় তুলে ধরা হয়।

এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই, দায়ীদের চিহ্নিতকরণ এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের জন্য তদন্ত কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কমিটিকে চিঠি প্রাপ্তির ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালকের কাছে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত