চিত্রনায়ক ও নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চন বলেছেন, ‘৩১ বছর আগে ব্যক্তিগত জীবনের গভীর এক বেদনা থেকে মানুষের জীবনরক্ষার আন্দোলনে রূপ দিয়েছিলাম। এটি আর ইলিয়াস কাঞ্চনের আন্দোলন নয়, এটি দেশের মানুষের আন্দোলন। আমার স্বপ্ন আপনাদের কাছে দিয়ে গেলাম। আমি না থাকলেও আপনারা নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবেন।’ গতকাল শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় নাট্যশালায় নিসচার ১১তম মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে নিরাপদ সড়ক চাই চেয়ারম্যান বলেন, ‘আল্লাহ যাতে আমাকে সুস্থ করে, আবার সবার সঙ্গে আন্দোলনের যোগদানের শক্তি দান করেন। আমি দেশের মানুষের নিরাপত্তা, শান্তি এবং সমৃদ্ধি কামনা করি। সরকার, প্রশাসন, পরিবহন মালিক-শ্রমিকদেরসহ দেশের প্রতিটি সচেতন মানুষকে এই আন্দোলনে অংশ নিতে বলব। আমরা একে অপরের প্রতিপক্ষ নই সবাই মানুষের জীবনরক্ষার সহযোদ্ধা।’
অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘এটা কারও কোনো ব্যক্তিগত দাবি বা আন্দোলন নয়; এটি মানুষের অধিকারের আন্দোলন। তবে বর্তমান সরকার হিসেবে আমাদের লক্ষ্য এমন একটি রাষ্ট্র গড়ে তোলা, যেখানে মানুষের মৌলিক অধিকারের দাবিতে আন্দোলন করতে হবে না।’ জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে আমরা একটা ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমরা একটা ইনক্লুসিভ সোসাইটি চাই, যেখানে মানুষের ন্যায্য অধিকার থাকবে।
এ সময় সরকার, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, পরিবহন মালিক-শ্রমিক, প্রকৌশলী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গণমাধ্যম এবং দেশের প্রতিটি সচেতন নাগরিককে নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের অংশ হওয়ার আহ্বান জানান ইলিয়াস কাঞ্চন।
গত সোমবার হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে স্ত্রী ও জামাতাকে নিয়ে ঢাকায় পৌঁছান। ঢাকায় কিছুদিন অবস্থানের পর আগামী ১৪ আগস্টের আগেই আবার লন্ডনে ফিরে যাবেন ইলিয়াস কাঞ্চন।
