জরুরি ও জনসেবামূলক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আগামী ২৬ আগস্ট (বুধবার) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ঘোষিত সাধারণ ছুটি পাবেন না। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৬ আগস্ট সারা দেশে সাধারণ ছুটি থাকবে। তবে জনস্বার্থে জরুরি সেবা চালু রাখতে নির্দিষ্ট কিছু খাতের কর্মীদের ওই দিনও কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে ১৪ আগস্ট শুক্রবার পবিত্র সফর মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে। ১৫ আগস্ট শনিবার থেকে রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে। সে হিসেবে ১২ রবিউল আউয়াল বা ২৬ আগস্ট বুধবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে।
ধর্মবিষয়ক সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
ছুটি পাবেন না যারা
সরকারি সাধারণ ছুটি হলেও সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে না। স্বাস্থ্যসেবা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অগ্নিনির্বাপণ, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সরবরাহ, বন্দর, বিমানবন্দর, রেলওয়ে, গণপরিবহন, কারাগার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিতদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।
এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত ডিউটি রোস্টার অনুযায়ী কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে হবে। অর্থাৎ সাধারণ ছুটির দিন হলেও জরুরি সেবা সচল রাখতে তাদের কর্মরত থাকতে হবে।
এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ঈদে মিলাদুন্নবী এবার বুধবার হওয়ায় পরদিন বৃহস্পতিবার ছুটি নিতে পারলে অনেক সরকারি চাকরিজীবী টানা চার দিনের অবকাশ পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
তবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ছুটির বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের স্মৃতিবিজড়িত ১২ রবিউল আউয়াল তারিখে পালিত হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।