মঞ্চ ও পর্দার বাতিঘর আবদুল্লাহ আল মামুন

আপডেট : ২১ আগস্ট ২০২৬, ০৮:২৫ এএম

নাটক রচনা, অভিনয় ও নির্দেশনার পাশাপাশি সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র নির্মাণে তিনি রেখেছিলেন অনন্য ছাপ। টেলিভিশনেও তৈরি করেছিলেন নিজস্ব নির্মাণশৈলী। বলছিলাম বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী, প্রখ্যাত নাট্যজন আবদুল্লাহ আল মামুনের কথা। আজ এই গুণী মানুষটির প্রয়াণ দিবস। ২০০৮ সালের এই দিনে কোটি ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি।

ফেরদৌসী মজুমদার, সুবর্ণা মুস্তাফার মতো বহু জনপ্রিয় শিল্পীর অভিনয়ের শিক্ষক ছিলেন আবদুল্লাহ আল মামুন। তাই নাট্যাঙ্গনে তিনি পরিচিত ছিলেন ‘শিল্পী তৈরির কারিগর’ হিসেবে। ১৯৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতকোত্তর শেষ করে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রযোজক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

নাট্যসংগঠন ‘থিয়েটার’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এই গুণীর লেখনীতে উঠে এসেছে ‘সুবচন নির্বাসনে’, ‘এখনও ক্রীতদাস’ ও ‘মেরাজ ফকিরের মা’-র মতো কালজয়ী নাটক। শহীদুল্লা কায়সারের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ধারাবাহিক ‘সংশপ্তক’-এর মধ্য দিয়ে তিনি পান প্রবাদপ্রতিম খ্যাতি। রুপালি পর্দায় উপহার দিয়েছেন ‘সারেং বৌ’, ‘সখী তুমি কার’ কিংবা ‘এখনই সময়’-এর মতো নন্দিত চলচ্চিত্র।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত