অবশেষে প্রতারণার মামলায় কারাগারে পিন্টু দাস

চাঁদপুর শহরের ‘এস কে জুয়েলার্স অ্যান্ড শিল্পালয়’এর স্বত্বাধিকারী পিন্টু দাস বন্ধকি স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন জনের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ করে গত ১৯ আগস্ট দিবাগত রাত পৌনে ৩টায় কুমিল্লা রোডের কালীবাড়ি মন্দির সংলগ্ন নিজ ভাড়া বাসা থেকে ঘরের মালামাল নিয়ে সপরিবারে পালিয়ে যান।

আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০২:১৮ পিএম

চাঁদপুর শহরের কুমিল্লা রোডের আখন্দ মার্কেটের আলোচিত স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টুদাসকে অবশেষে প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। শনিবার (২৯ আগস্ট) চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমানে বিষয়টি নিশ্চিত করেছন।

ব্যবসায়ী পিনটু দাস (৪৫) চাঁদপুর শহরের ‘এস কে জুয়েলার্স অ্যান্ড শিল্পালয়’ এর স্বত্বাধিকারী।

এবিষয়ে চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ জানান, শনিবার সকালে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে চাঁদপুর সদর উপজেলার রঘুনাথপুরের মো. রাসেল খান বাদী হয়ে একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেন। মামলায় রাসেল খান অভিযোগ করেন পিন্টু দাসের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় তিনিসহ আরও ছয়জন আর্থিক প্রয়োজনে ব্যবহৃত স্বর্ণের চেইন, কানের দুল ও লকেটসহ নানা অলংকার বন্ধক রেখে নগদ টাকা ঋণ নেন। পরবর্তীতে মূল টাকা ফেরত দিয়ে বন্ধকি স্বর্ণালংকার ফেরত চাইতে গেলে ব্যবসায়ী কালক্ষেপণ করতে থাকেন। বর্তমানে তারা পিন্টুদাসের কাছ থেকে প্রায় ৮ লাখ লাখ পাওনা বলে দাবি করে প্রতারণা ও বিশ্বাস ভঙ্গের দায়ে মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, চাঁদপুর শহরের ‘এস কে জুয়েলার্স অ্যান্ড শিল্পালয়’এর স্বত্বাধিকারী পিন্টু দাস বন্ধকি স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন জনের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ করে গত ১৯ আগস্ট দিবাগত রাত পৌনে ৩টায় কুমিল্লা রোডের কালীবাড়ি মন্দির সংলগ্ন নিজ ভাড়া বাসা থেকে ঘরের মালামাল নিয়ে সপরিবারে পালিয়ে যান। তার বিরুদ্ধে একাধিক স্বর্ণ ক্রেতা-বিক্রেতা পুলিশ ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতির কাছে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ করেন। এরই সূত্র ধরে চাঁদপুর মডেল থানার এসআই কালাম গাজীসহ পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে শুক্রবার ভোরে চট্টগ্রামের পটিয়ার দলঘাট দাসপাড়া নিজবাড়ি থেকে পিন্টু দাসকে সপরিবারে আটক করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, ওইদিন বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত পুলিশের ঢাকা ও চাঁদপুরের বেশ কয়েকটি তদন্ত দল তাকে জিঙ্গাসাবাদ করেন। এসময় একাধিক স্বর্ণ ও টাকা পাওনাদারের অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত হলে একজনের লিখিত অভিযোগে তাকে প্রতারণার মামলার আসামি দেখিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত