‘ইশান ভাইয়া জানেন না যে আমি একজন উইকেটশিকারি', সূর্যবংশী

আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম

ঝড়ো ব্যাটিংয়ের জন্য নজরকাড়া বৈভব সূর্যবংশী প্রকাশ করলেন, বোলিংয়ে হাত ঘোরাতেও তিনি সমান ভালোবাসেন।

গত সপ্তাহে দিলীপ ট্রফি মাঠে ফিরে বল হাতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন এই বিস্ময় বালক। ক্যারিয়ারের প্রথম বড় ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচে ইস্ট জোনের সহ-অধিনায়ক হিসেবে নর্থ ইস্ট জোনের বিপক্ষে ইনিংসের সূচনা করতে নেমে সুবিধা করতে পারেননি। দুই চারে ৮ রান করেই বিদায় নেন। 

তবে পরবর্তীতে নর্থ ইস্ট জোনকে ফলো-অন করানোর পর ইস্ট জোনের যখন উইকেটের প্রয়োজন পড়ছিল, তখন অধিনায়ক ইশান কিষাণ বল তুলে দেন তরুণ সূর্যবংশীর হাতে। বিহারের এই বিস্ময় বালক এক ওভারেই জোড়া উইকেট তুলে নিয়ে অধিনায়কের ভরসার প্রতিদান দেন। প্রথমে ২৫ রানে ব্যাট করতে থাকা কিষাণ লিংডোহকে আউট করেন তিনি। ব্যাট হাতে বিশাল সব শট খেলার জন্য পরিচিত সূর্যবংশী জানান, বোলিং করাটাও তিনি ততটাই উপভোগ করেন, 'ব্যাটারদের জিজ্ঞাসা করলে দেখবেন তারা সবাই বোলিং করতে পছন্দ করে। একজন ব্যাটার যখন বোলিং করে বা বোলার ব্যাটিং করে, তখন খেলোয়াড়ের কাছে তা খুবই উপভোগ্য হয়। প্রতিপক্ষের উইকেট পড়ছিল না, তাই আমাকে ২-৩ ওভার বল করতে বলা হয়। ইশান ভাইয়া ভেবেছিলেন আমাকে বল দেওয়াটা বুঝি ঝুঁকি হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তিনি জানেন না যে আমি একজন উইকেটশিকারি।

তিনি আরও যোগ করেন, "আমার মাথায় শুধু ছিল—আমি যদি ৫টি উইকেটও পাই, তাহলেও হয়তো ৩ ওভারের বেশি বোলিং করতে পারব না। তাই চেষ্টা করেছি এক জায়গায় ঠিকঠাক বল করে স্পেল শেষ করতে। খুব আনন্দ হয়েছে, কারণ শেষ ম্যাচে ব্যাট হাতে ভালো করতে পারিনি, তাই বল হাতে দলে অবদান রাখতে পেরে বেশ ভালো লেগেছে। একজন ব্যাটার যখন উইকেট পায়, তার চেয়ে বেশি আনন্দ আর কিছুতে নেই।"

এই জোড়া উইকেটের মাধ্যমে সূর্যবংশীর পেশাদার ক্রিকেটে উইকেটের সংখ্যা দাঁড়াল ৪টিতে, যার সবগুলোই এসেছে ফার্স্ট-ক্লাস ম্যাচে। মোট ৯টি ফার্স্ট-ক্লাস ম্যাচে এই বাঁহাতি ১৬.৫৩ গড়ে করেছেন ২১৫ রান।

আগামী রবিবার থেকে বেঙ্গালুরুতে শুরু হতে যাওয়া দিলীপ ট্রফির সেমিফাইনালে সেন্ট্রাল জোনের মুখোমুখি হবে ইস্ট জোন, যেখানে আবারও দেখা যাবে সূর্যবংশীকে।
×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত