স্পেনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভো- এক প্রতিবেদনে বলেছে, আলভারেজের বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার মূল চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে স্পেনের ‘রয়েল ডিক্রি ১০০৬’ আইনে। ফিফার নিয়ম শুধু দুটি ভিন্ন দেশের ক্লাবের মধ্যে দলবদলের ক্ষেত্রে কার্যকর হয়। যেহেতু আতলেতিকো মাদ্রিদ এবং বার্সেলোনা দুটিই স্পেনের ক্লাব, তাই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্পূর্ণ এখতিয়ার স্প্যানিশ আইনের।
'রয়েল ডিক্রি ১০০৬' অনুযায়ী, একজন অ্যাথলেট চাইলে একতরফাভাবে তার বর্তমান ক্লাবের চুক্তি বাতিল করতে পারেন। চুক্তি বাতিলের জন্য আতলেতিকোর নির্ধারিত ৪৯০ মিলিয়ন ইউরোর রিলিজ ক্লজ বা বাই-আউট ক্লজ বার্সেলোনাকে দিতে হবে না। স্পেনের সাধারণ আদালত নির্ধারণ করবে আলভারেজকে আতলেতিকোর চুক্তির বাকি মেয়াদের জন্য কত টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী এই ক্ষতিপূরণের অর্থ বার্সেলোনাই পরিশোধ করবে। চুক্তি বাতিলের এই প্রক্রিয়া চলাকালীন শুরু থেকেই বার্সেলোনার হয়ে মাঠে নামতে পারবেন আলভারেজ।
ফিফা হস্তক্ষেপ করতে পারলে কী হতো?
আলভারেজের বয়স বর্তমানে ২৬ বছর। তিনি ২০২৪ সালে ২৪ বছর বয়সে আটলেতিকোতে যোগ দিয়েছিলেন। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় ২৪ বছর বয়সে নতুন ক্লাবে যোগ দিলে প্রথম তিন বছর (২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত) "সংরক্ষিত সময়" হিসেবে গণ্য হয়।
যদি এই ট্রান্সফার কোনো বিদেশি ক্লাবের সাথে হতো, তবে ফিফার বিচারে- ১. চার থেকে ছয় মাসের জন্য যেকোনো অফিসিয়াল ম্যাচে নিষিদ্ধ হতেন (শুধু আর্জেন্টিনার হয়ে খেলা ছাড়া); ২. টানা দুটি ট্রান্সফার উইন্ডোতে নতুন কোনো খেলোয়াড় সাইন বা রেজিস্টার করার ওপর নিষেধাজ্ঞা আসত বার্সেলোনার ওপর।
কিন্তু স্প্যানিশ অভ্যন্তরীণ আইনের কারণে এই ধরণের কোনো ক্রীড়াসুলভ শাস্তির ঝুঁকি নেই। কেবল আদালতের নির্ধারিত আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিলেই বার্সেলোনায় খেলতে কোনো বাধা থাকবে না আলভারেজের।
পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সে প্রথম ফাইফারের বিশ্বরেকর্ড