লর্ডস টেস্টের প্রথম দিনে স্কাই স্পোর্টসে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দুই ছেলের সাক্ষাৎকার সম্প্রচারকে কেন্দ্র করে তীব্র নাটকীয়তার খবর ছড়ায়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এই রাজনৈতিক সাক্ষাৎকার প্রচারের বিরোধিতা করেছিল এবং দ্বিতীয় সেশনে মাঠে দল না নামানোর বা ম্যাচ বয়কটের হুমকি দিয়েছিল। তবে ম্যাচ শেষে সেই সব গুঞ্জন ও বয়কট প্রস্তাবের কথা পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম।
লর্ডস টেস্টে ইংল্যান্ডের কাছে ১৯৪ রানে হারের পর বিবিসি টেস্ট ম্যাচ স্পেশালে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাবর আজম স্পষ্ট জানান, দল বয়কটের মতো কোনো কথা তাঁর জানা নেই।
সাংবাদিকরা যখন বাবরকে বয়কট সংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন করেন, তখন তাঁর সরাসরি প্রতিক্রিয়া ছিল, "না, না। আমি এমন কিছু শুনিনি।"
বিষয়টি নিয়ে বারবার চাপ দেওয়া হলে বাবর আজম আবারও সোজাসাপ্টা উত্তরে বলেন, না, আমি এ বিষয়ে একেবারেই কিছু শুনিনি।"
বাবর আজমের এই বক্তব্য দলের হেড কোচ সরফরাজ আহমেদের দেওয়া কথার সাথেই মিলে যায়। এর আগে সংবাদ সম্মেলনে সরফরাজও জানিয়েছিলেন যে সাক্ষাৎকার চলাকালে খেলোয়াড়রা লাঞ্চ করছিলেন এবং এ ধরনের কোনো বয়কট বা উত্তেজনার বিষয়ে তাঁদের কিছু জানা ছিল না।
লর্ডস টেস্টের প্রথম দিনে স্কাই স্পোর্টসের মধ্যাহ্নভোজ বিরতিতে সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক মাইকেল অ্যাথারটন ইমরান খানের দুই ছেলে সুলাইমান ও কাসিম খানের একটি সাক্ষাৎকার সম্প্রচার করেন। এতে কারাগারে থাকা ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা ও তাঁর ওপর হওয়া নানা আচরণের বিষয় উঠে আসে। রিপোর্ট অনুযায়ী, পিসিবি ম্যাচ চলাকালে রাজনৈতিক সাক্ষাৎকার প্রচারে আপত্তি জানিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যুক্তরাজ্য ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক রক্ষা এবং রাজপরিবারের আসন্ন একটি সৌজন্য অনুষ্ঠানের কথা বিবেচনা করে পাকিস্তান দল মাঠে খেলা চালিয়ে যায়।
'শুধু ছোট দলের বিপক্ষে খেলে' সমালোচনার জবাব নেইমারের